শিবচরে মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটায় এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে ছিনতাই হলো ৩ হাজার টাকা। শেষে সংঘবদ্ধ চোরের-দল মালামাল হারানো ব্যক্তি সিদ্দিক বেপারিকে দিয়েছে গণধোলাই। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে শিবচর উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর বাজার এলাকায়। জানা যায়, বাহাদুরপুর খানাকান্দি গ্রামের সিদ্দিক বেপারি বাহাদুরপুর বাজারে একটি সেলুনে বসে চুল কাটাতে থাকে। এ সময়ে তার শার্টের পকেটে থাকা একটি মোবাইল সেট পাঁচ্চর-দক্ষিণকান্দি এলাকার মন্টু শীলের ছেলে বিশু শীল (২৫) চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মোবাইলটি বিশুর কাছে দেখে সিদ্দিক তাকে চোর বলে গালমন্দ শুরু করে। এ ঘটনার জের ধরে বিশুর সহযোগী ৭/৮ জন সংঘবদ্ধ হয়ে সিদ্দিক বেপারির মানিব্যাগে থাকা ৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মালামাল হারানো ব্যক্তি সিদ্দিক চুরির প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে লাঠি দিয়ে বেধরক পিটিয়েছে চোরের-দল। চোরের-দল এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় মাতুব্বরেরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওযার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় ইউপি মেম্বর নুরুল ইসলাম মুন্সির সাথে যোগাযোগ করা হলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং ছিনতাই হওয়া টাকা ও মোবাইল সেট চোরের কাছ থেকে উদ্ধার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ব্যাপারে শিবচর থানায় সিদ্দিক বেপারি বাদি হয়ে একটি লিখিত অভিযোগে দায়ের করেছে।
প্রথমে মোবাইল চুরি, পরে টাকা ছিনতাই : প্রতিবাদ করতে গিয়ে মালামাল হারানো ব্যক্তিকে গণধোলাই
Read More ... »
শিরুয়াইল বাজারে অগ্নিকাণ্ড : ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মীভুত
বৃহস্পতিবার রাত ১টায় শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩টি দোকানসহ প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মীভুত হয়েছে। জানা যায়, মধ্যরাতে আক্কাস বেপারির মুদি দোকানে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলে ছাত্তার বেপরীর ১টি জুতার দোকান ও আক্কাস বেপারির অন্য ১টি কসমেটিক্সের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দু'ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকা।
শিবচরে বিএনপি'র দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : ধাওয়া করে ইউনিয়ন সেক্রেটারিকে লাঞ্ছিত
শিবচর উপজেলার চর জানাজাত ইউনিয়ন শাখার বিএনপি সেক্রেটারি শাহজাহান মিনাকে লাঞ্ছিত করেছে তার প্রতিপক্ষ কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত ৮টায় চর জানাজাত ছিরু চৌধুরীর হাট এলাকায়। জানা যায়, শিবচর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গত ৮ সেপ্টেম্বর শাহজাহান মিনাকে চর জানাজাত ইউনিয়নের সেক্রেটারি ঘোষণা করা হয়। বিএনপি'র অপর গ্রুপ আমজাদ বেপারির সমর্থকেরা এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার রাতে ছিরু চৌধুরীর হাটের একটি চায়ের দোকানে শাহজাহান মিনাকে লাঞ্ছিত করে। তারা সেক্রেটারির পদ থেকে শাহজাহান মিনাকে অপসারণ করে আমজাদ বেপারিকে সেক্রেটারি দাবী করে স্লোগান দেয়।
আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের যুবকের লাশ উদ্ধার
মঙ্গলবার দুপুরে শিবচর থানার পুলিশ শিরুয়াইল ইউনিয়নের সিপাইকান্দি এলাকায় আড়িয়াল খাঁ নদের কাশবন থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। জানা যায়, এলাকাবাসী আড়িয়াল খাঁ নদের কাশবনের কাছে অজ্ঞাত যুবকের লাশটি ভাসমান অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে মাদারিপুর মর্গে প্রেরণ করেছে। অজ্ঞাত যুবকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে শিবচর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চোরকে চিকিৎসাসেবা
ভ্যান চুরির অভিযোগে কথিত চোর আজাহার (৩৫) কে প্রথমে উত্তম মধ্যম দিয়ে পরে তাকে সুস্থ করার জন্য চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের গোয়ালকান্দা গ্রামে।
জানা যায়, গোয়ালকান্দা গ্রামের সামচু বেপারির একটি ভ্যানগাড়ি মধ্যরাতে তালা ভেঙ্গে আজাহার চুরি করে হাজি শরিয়াতুল্লাহ সেতুর দিকে যেতে থাকে। বিষয়টি উপস্থিত লোকজন টের পাওয়ায় ভ্যানগাড়িটি ব্রিজের উপরে রেখে আজাহার পালিয়ে যাওয়ার সময় লোকজন তাকে ধাওয়া করে আটক করে। সকালে সামচু বেপারী ও আরও ২৫/৩০ জন ভ্যানচালক সংঘবদ্ধ হয়ে চোরকে গণধোলাই দিলে সে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। চোরের অবস্থা বেগতিক দেখে ভ্যানচালকেরা হাতুড়ে ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসাসেবা দিয়ে তাকে সুস্থ করে। চোরের চিকিৎসাসেবা ও তাকে বাড়ি পৌছানোর জন্য ১ হাজার টাকা জরিমানা গুণতে হয়েছে ভ্যানচালকদের। ভ্যানচালক আজাহারের বাড়ি রাজৈর উপজেলার ইসুবপুর গ্রামে।
জানা যায়, গোয়ালকান্দা গ্রামের সামচু বেপারির একটি ভ্যানগাড়ি মধ্যরাতে তালা ভেঙ্গে আজাহার চুরি করে হাজি শরিয়াতুল্লাহ সেতুর দিকে যেতে থাকে। বিষয়টি উপস্থিত লোকজন টের পাওয়ায় ভ্যানগাড়িটি ব্রিজের উপরে রেখে আজাহার পালিয়ে যাওয়ার সময় লোকজন তাকে ধাওয়া করে আটক করে। সকালে সামচু বেপারী ও আরও ২৫/৩০ জন ভ্যানচালক সংঘবদ্ধ হয়ে চোরকে গণধোলাই দিলে সে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। চোরের অবস্থা বেগতিক দেখে ভ্যানচালকেরা হাতুড়ে ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসাসেবা দিয়ে তাকে সুস্থ করে। চোরের চিকিৎসাসেবা ও তাকে বাড়ি পৌছানোর জন্য ১ হাজার টাকা জরিমানা গুণতে হয়েছে ভ্যানচালকদের। ভ্যানচালক আজাহারের বাড়ি রাজৈর উপজেলার ইসুবপুর গ্রামে।
এনজিও-র ঋণের টাকার তাড়া খেয়ে ঘরবাড়ি ফেলে স্বপরিবারে পালিয়ে গেছে এক গৃহবধু
শিবচরের কয়েকটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে উচ্চহারে সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে ঘরবাড়ি ফেলে রাতের অন্ধকারে এলাকা ছেড়েছে আকিমন নেছা (৩৮) নামের এক দিনমজুর পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ আগস্ট শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি ইউনিয়নের ছলেনামা গ্রামে। ঋণ গ্রহীতার স্বামীর নাম আ: রাজ্জাক হাওলাদার (হালান)।
জানা যায়, গত ৫ মে ২০০৯ তারিখে গণ-উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর বাঁশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর শাখা থেকে দিনমজুর আ: রাজ্জাক হাওলাদরের স্ত্রী আকিমন নেছা ১৮ হাজার টাকার একটি ক্ষুদ্রঋণ উত্তোলন করে। ঋণের টাকা দিয়ে চলতে থাকে ৪ সন্তান ও স্বামী নিয়ে তার অভাব-অনটনের সংসার। হঠাৎ করে গত এক মাস ধরে ঋণের কিস্তি দেয়া বন্ধ হয়ে যায় আকিমন নেছার। গণ-উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর শেখপুর শাখার ম্যানেজার সিদ্দিক মিয়া আকিমন নেছাকে কয়েকবার তার ঋণের কিস্তি পরিশোধের তাগিদ দেয়। অভাবী আকিমন নেছা বার বার সময় চেয়েও ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। এক সময় আকিমন তার স্বামী ও ৪ সন্তান নিয়ে রাতের অন্ধকারে ঘরবাড়ি ফেলে অজানার উদ্দেশ্যে চলে যায়। পরে ম্যানেজার তার ঋণের টাকা উসুল করার জন্য আকিমনের ঘরটি ভেঙ্গে নিয়ে যায়। শেখপুর বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর, কলেজ ছাত্র শহিদুল ইসলাম এবং শিক্ষক আহসান মিয়া সহ এলকাবাসী জানান, অভাবী আকিমন নেছা আশা, ব্র্যাকসহ আরও ৪/৫টি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছে। সব মিলিয়ে ঋণের পরিমাণ হবে প্রায় লক্ষাধিক টাকা। এনজিও-র ঋণের টাকায় মোটা অংকের সুদ থাকায় সে আর কোন ঋণ থেকেই মুক্তি পায়নি। দিন দিন ঋণ বোঝা সুদসহ ফুলে ফেপে প্রকট আকার ধারণ করায় প্রাণ রক্ষার্থে আকিমনের পরিবার রাতের অন্ধকারে ঘরবাড়ি ফেলে অজানার উদ্দেশ্যে চলে গিয়েছে। এ ব্যাপারে গণ-উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমরা যদি ঘরটি ভেঙে না নিয়ে আসতাম তবে অন্যকেহ নিয়ে যেত।
জানা যায়, গত ৫ মে ২০০৯ তারিখে গণ-উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর বাঁশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর শাখা থেকে দিনমজুর আ: রাজ্জাক হাওলাদরের স্ত্রী আকিমন নেছা ১৮ হাজার টাকার একটি ক্ষুদ্রঋণ উত্তোলন করে। ঋণের টাকা দিয়ে চলতে থাকে ৪ সন্তান ও স্বামী নিয়ে তার অভাব-অনটনের সংসার। হঠাৎ করে গত এক মাস ধরে ঋণের কিস্তি দেয়া বন্ধ হয়ে যায় আকিমন নেছার। গণ-উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর শেখপুর শাখার ম্যানেজার সিদ্দিক মিয়া আকিমন নেছাকে কয়েকবার তার ঋণের কিস্তি পরিশোধের তাগিদ দেয়। অভাবী আকিমন নেছা বার বার সময় চেয়েও ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। এক সময় আকিমন তার স্বামী ও ৪ সন্তান নিয়ে রাতের অন্ধকারে ঘরবাড়ি ফেলে অজানার উদ্দেশ্যে চলে যায়। পরে ম্যানেজার তার ঋণের টাকা উসুল করার জন্য আকিমনের ঘরটি ভেঙ্গে নিয়ে যায়। শেখপুর বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর, কলেজ ছাত্র শহিদুল ইসলাম এবং শিক্ষক আহসান মিয়া সহ এলকাবাসী জানান, অভাবী আকিমন নেছা আশা, ব্র্যাকসহ আরও ৪/৫টি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছে। সব মিলিয়ে ঋণের পরিমাণ হবে প্রায় লক্ষাধিক টাকা। এনজিও-র ঋণের টাকায় মোটা অংকের সুদ থাকায় সে আর কোন ঋণ থেকেই মুক্তি পায়নি। দিন দিন ঋণ বোঝা সুদসহ ফুলে ফেপে প্রকট আকার ধারণ করায় প্রাণ রক্ষার্থে আকিমনের পরিবার রাতের অন্ধকারে ঘরবাড়ি ফেলে অজানার উদ্দেশ্যে চলে গিয়েছে। এ ব্যাপারে গণ-উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমরা যদি ঘরটি ভেঙে না নিয়ে আসতাম তবে অন্যকেহ নিয়ে যেত।
সংবাদ প্রকাশের পর...ধর্ষক স্কুল-শিক্ষককে আটক করে থানায় মামলা নিয়েছে পুলিশ
'৮ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ : সম্ভ্রমের মূল্য ২০ হাজার টাকা ও ৫১ বেত্রাঘাত' শিরোনামে 'শিবচর সংবাদ' ওয়েবসাইটসহ জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের পর শিবচর থানার পুলিশ রবিবার সন্ধ্যায় ধর্ষণ-মামলা দায়ের করে ধর্ষক স্কুল শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে। উল্লেখ্য গত বুধবার সন্ধ্যায় শিবচর উপজেলার সন্ন্যাসিরচর ইউনিয়নের রাজারচর মৌলভিকান্দি গ্রামের উকিল কান্দি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরু ফকির একই গ্রামের জালাল ফরাজির ৮ বছরের শিশু কন্যাকে ৫শ’ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তার গোয়াল-ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে লম্পট স্কুল শিক্ষক পালিয়ে যায়। শিশুটির বাবা-মা তার আর্ত্মচিৎকারে এগিয়ে এসে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে শিবচর হাসপাতালে ভর্তি করে। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মতুব্বর সেলিম মেম্বার ও মোতালেব উকিল ধর্ষিতার বাড়ির উঠানে এক সালিস বৈঠক বসায়। তাদের রায়ে ধর্ষককে ৫১টি বেত্রাঘাত ও অসুস্থ ধর্ষিতাকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য ধর্ষকের কাছ থেকে আদায় করা হয় ২০ হাজার টাকা। উক্ত ঘটনাটি 'শিবচর সংবাদ' ওয়েবসাইটসহ জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে হস্তক্ষেপে শিবচর থানার ওসি আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রবিবার সন্ধ্যায় ধর্ষককে গ্রেফতার করে এবং ধর্ষিতার বাবা জালাল ফরাজিকে বাদি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।
অর্থের অভাবে অপারেশন করতে না পেরে মরতে বসেছে এক গর্ভবতী
উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের চরকান্দি গ্রামের হতদরিদ্র ভ্যান-চালক ইউনুছ শেখের স্ত্রী এক সন্তানের জননী অন্তঃসত্ত্বা শিউলি আক্তার (২৩) অর্থের অভাবে অপারেশন করতে না পেরে চার-চারটি হাসপাতাল থেকে ফেরত এসে বাড়িতে বসে মৃত্যুর প্রহর গুণছে। হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার জানিয়ে দিয়েছে অন্তঃসত্ত্বা শিউলির কোনমতেই নরমাল ডেলিভারি সম্ভব নয়।
রবিবার সকালে শিউলিকে প্রথমে শিবচরে পরে মাদারিপুর সদরে এরপর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে তার পেটে তিনটি সন্তান আছে বলে নিশ্চিত হয় এবং তাকে অপারেশনের পরামর্শ দেয়।
আট মাসের গর্ভবতী শিউলি রক্তশূন্যতায় ভোগায় অপারেশনের সময় প্রয়োজন হবে রক্তের; এই কারণে তার অপারেশনে প্রায় ৪০ হাজার টাকা প্রয়োজন। শিউলির পেটে তিনটি সন্তান থাকায় ডাক্তাররা তাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে গিয়ে অপারেশনের পরামর্শ দেয়। হতদরিদ্র ভ্যান-চালক ইউনুছ শেখ অর্থের অভবে স্ত্রীকে নিয়ে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছে।
রবিবার সকালে শিউলিকে প্রথমে শিবচরে পরে মাদারিপুর সদরে এরপর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে তার পেটে তিনটি সন্তান আছে বলে নিশ্চিত হয় এবং তাকে অপারেশনের পরামর্শ দেয়।
আট মাসের গর্ভবতী শিউলি রক্তশূন্যতায় ভোগায় অপারেশনের সময় প্রয়োজন হবে রক্তের; এই কারণে তার অপারেশনে প্রায় ৪০ হাজার টাকা প্রয়োজন। শিউলির পেটে তিনটি সন্তান থাকায় ডাক্তাররা তাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে গিয়ে অপারেশনের পরামর্শ দেয়। হতদরিদ্র ভ্যান-চালক ইউনুছ শেখ অর্থের অভবে স্ত্রীকে নিয়ে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছে।
৮ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ : সম্ভ্রমের মূল্য ২০ হাজার টাকা ও ৫১ বেত্রাঘাত
শিবচরে গ্রাম্য সলিসির রায়ে ৮ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে পঞ্চাষোর্ধ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরু ফকিরকে শাস্তি হিসেবে ৫১টি বেত্রাঘাত করা হয়েছে। অসুস্থ শিশুটিকে চিকিৎসাবাবদ ধর্ষকের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার শিবচর উপজেলার সন্ন্যাসীরচর ইউনিয়নের রাজারচর মৌলভীকান্দি গ্রামে।
জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় রাজারচর উকিল কান্দি রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নুরু ফকির একই এলাকার হত দরিদ্র জালাল ফরাজির শিশুকন্যা (৮) কে ৫শত টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার গোয়াল ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে মেয়েটির চিৎকারে তার বাবা-মা এগিয়ে আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়। পরে শিশুটির বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে শিবচর হাসপাতলে ভর্তি করেন। এই ব্যাপারে ধর্ষিতার বাবা ধর্ষক নুরু ফকিরকে আসামি করে শিবচর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ধর্ষক প্রভাবশীল হওয়ায় স্থানীয় লোকজনসহ এলাকার মাদবর সেলিম মেম্বর ও মোতলেব ফকির তরিঘরি করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শুক্রবার সন্ধ্যায় ধর্ষিতার বাড়ির উঠানে এক গ্রাম্য সালিসি বসায়। বিচারের রায়ে ধর্ষক নুরু ফকিরকে ৫১টি বেত্রাঘাত করা হয় এবং ধর্ষিতার চিকিৎসা বাবদ ধর্ষকের কাছ থেকে আদায় করা হয় ২০ হাজার টাকা। মেয়েটির বাবা জালাল ফরাজি জানান, আমি এলাকার গরীব মানুষ পাঁচ জনের রায় মেনেই আমার চলতে হবে। আমার একা কিছু করা সম্ভব না। শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই হয়েছে। আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বাদীর পুরোপুরি সম্মতি থাকলে আমি মামলা নিয়ে নেব।
জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় রাজারচর উকিল কান্দি রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নুরু ফকির একই এলাকার হত দরিদ্র জালাল ফরাজির শিশুকন্যা (৮) কে ৫শত টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার গোয়াল ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে মেয়েটির চিৎকারে তার বাবা-মা এগিয়ে আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়। পরে শিশুটির বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে শিবচর হাসপাতলে ভর্তি করেন। এই ব্যাপারে ধর্ষিতার বাবা ধর্ষক নুরু ফকিরকে আসামি করে শিবচর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ধর্ষক প্রভাবশীল হওয়ায় স্থানীয় লোকজনসহ এলাকার মাদবর সেলিম মেম্বর ও মোতলেব ফকির তরিঘরি করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শুক্রবার সন্ধ্যায় ধর্ষিতার বাড়ির উঠানে এক গ্রাম্য সালিসি বসায়। বিচারের রায়ে ধর্ষক নুরু ফকিরকে ৫১টি বেত্রাঘাত করা হয় এবং ধর্ষিতার চিকিৎসা বাবদ ধর্ষকের কাছ থেকে আদায় করা হয় ২০ হাজার টাকা। মেয়েটির বাবা জালাল ফরাজি জানান, আমি এলাকার গরীব মানুষ পাঁচ জনের রায় মেনেই আমার চলতে হবে। আমার একা কিছু করা সম্ভব না। শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই হয়েছে। আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বাদীর পুরোপুরি সম্মতি থাকলে আমি মামলা নিয়ে নেব।
প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি : আহত ২
শুক্রবার মধ্যরাতে শিবচর উপজলার মাদবচর ইউনিয়নের ডাইয়ার চর ফকির কান্দি গ্রামের কোরিয়া প্রবাসী আবুবকর ফকিরের বাড়িতে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতেরা গৃহকর্তার বোন ঊর্মি (১১) ও ভাই কামাল হোসেন (১৮) কে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। জানা যায়, ১০/১২ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল কোরিয়া প্রবাসী আবুবকর ফকিরের ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে নগদ ২১ হাজার টাকা, ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ২টি মোবাইল সেটসহ প্রায় ২ লাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
মটরসাইকেল চাপায় নিহত এক
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর)বিকেল ৫টায় শিবচর-পাঁচ্চর সড়কের বাহাদুরপুর এলাকায় মটরসাইকেল চাপায় চান মিয়া কাড়াল (৬৫) নিহত হয়েছে। জানা যায়, শিবচর থেকে একটি মটরসাইকেল পাঁচ্চর যাওয়ার পথে চান মিয়া কাড়ালকে পিছন দিক থেকে চাপা দেয়। চান মিয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে শিবচর পরে ঢাকা নেওয়ার পথে কওড়াকান্দি ফেরিঘাট এলাকায় মারা যায়। গাড়িসহ চালক পলাতক। নিহত চান মিয়া পাঁচ্চর ইউনিয়নের ঢালীকান্দি গ্রামের বাসের ঢালীর ছেলে।
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টায় শিবচর উপজেলার দ্বিতীয়খন্ড ইউনিয়নের মোড়লকান্দি গ্রামে পানিতে ডুবে সিমা আক্তার (৯) মারা গেছে। জানা যায়, সিমা পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে শিবচর হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিহত সিমা দ্বিতীয়খন্ড ইউনিয়নের মোড়লকান্দি গ্রামের বাচ্চু মোড়লের মেয়ে।
২১ লিটার ফেন্সিডিলসহ তিন মহিলা মাদক ব্যবসায়ী আটক
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টায় শিবচর হাইওয়ে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাওড়াকান্দি ফেরিঘাট এলাকা থেকে ২১ লিটার ফেন্সিডিলসহ ৩ মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, যশোর থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে মহিলা মাদক ব্যবসায়ীরা ফেরির অপেক্ষায় কাওড়াকান্দি ফেরি ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকে। পুলিশ সন্দেহ করে রোজিনা (৩০), জাবেদা খাতুন (৪৫), বরকাতুন্নেছা (৪৮) এর হাতে থাকা তিনটি ব্যাগে তল্লাসি চালিয়ে পলিথিনে মোড়ানো ২১ লিটার ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। পরে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়ি যশোর সদর থানার নারায়ণপুর গ্রামে। এই ব্যপারে শিবচর থানায় মাদক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শিবচরে ডাকাতি ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট
রবিবার রাত একটায় শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের সাদেকাবাদ গ্রামে মোতালেব মাদবরের বাড়িতে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। জানা যায়, ১০/১২ জনের শসস্ত্র ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে মোতালেব মাদবরের ঘরে প্রবেশ করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ২৩ হাজার টাকা, ২টি মোবাইল সেটসহ প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
২৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত চরমপন্থী সদস্য গ্রেফতার
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৯টায় শিবচর থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উমেদপুর ইউনিয়নের কাচিকাটা গ্রাম থেকে ২৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী চরমপন্থী দলের সক্রিয় সদস্য মোহাম্মাদ আলী হোসেন সরদার (৩২) কে গ্রেফতার করেছে। জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি আলী হোসেন সরদার কাচিকাটা গ্রামে তার বাড়ির আঙিনায় বসে সহযোগীদের নিয়ে আড্ডা দেওয়ার সময় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, ২০০৬ সালে ঢাকার ডেমরা থানার একটি অস্ত্র মামলায় মহানগরীয় জজকোট চরমপন্থী আলী হোসেন সরদারের নামে ২৭ বছরের সাজা ঘোষণা করে। পরে সে ৩ বছর ফেরারি অবস্থায় ছিল। গ্রেফতারকৃত আলী হোসেন সরদার উমেদপুর ইউনিয়নের কাচিকাটা গ্রামের কালু সরদারের ছেলে। তার নামে শিবচর, ডেমরা ও মুন্সিগঞ্জ থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও খুনসহ ৭টি মামলা রয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)