উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের চরকান্দি গ্রামের হতদরিদ্র ভ্যান-চালক ইউনুছ শেখের স্ত্রী এক সন্তানের জননী অন্তঃসত্ত্বা শিউলি আক্তার (২৩) অর্থের অভাবে অপারেশন করতে না পেরে চার-চারটি হাসপাতাল থেকে ফেরত এসে বাড়িতে বসে মৃত্যুর প্রহর গুণছে। হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার জানিয়ে দিয়েছে অন্তঃসত্ত্বা শিউলির কোনমতেই নরমাল ডেলিভারি সম্ভব নয়।
রবিবার সকালে শিউলিকে প্রথমে শিবচরে পরে মাদারিপুর সদরে এরপর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে তার পেটে তিনটি সন্তান আছে বলে নিশ্চিত হয় এবং তাকে অপারেশনের পরামর্শ দেয়।
আট মাসের গর্ভবতী শিউলি রক্তশূন্যতায় ভোগায় অপারেশনের সময় প্রয়োজন হবে রক্তের; এই কারণে তার অপারেশনে প্রায় ৪০ হাজার টাকা প্রয়োজন। শিউলির পেটে তিনটি সন্তান থাকায় ডাক্তাররা তাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে গিয়ে অপারেশনের পরামর্শ দেয়। হতদরিদ্র ভ্যান-চালক ইউনুছ শেখ অর্থের অভবে স্ত্রীকে নিয়ে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছে।
রবিবার সকালে শিউলিকে প্রথমে শিবচরে পরে মাদারিপুর সদরে এরপর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে তার পেটে তিনটি সন্তান আছে বলে নিশ্চিত হয় এবং তাকে অপারেশনের পরামর্শ দেয়।
আট মাসের গর্ভবতী শিউলি রক্তশূন্যতায় ভোগায় অপারেশনের সময় প্রয়োজন হবে রক্তের; এই কারণে তার অপারেশনে প্রায় ৪০ হাজার টাকা প্রয়োজন। শিউলির পেটে তিনটি সন্তান থাকায় ডাক্তাররা তাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে গিয়ে অপারেশনের পরামর্শ দেয়। হতদরিদ্র ভ্যান-চালক ইউনুছ শেখ অর্থের অভবে স্ত্রীকে নিয়ে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছে।
0 মন্তব্য(সমূহ):
Post a Comment