২৭ ডিসেম্বর, ২০১০:: আজ সোমবার সন্ধ্যায় শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজীরসুরা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ৪টি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভুত হয়েছে। জানা যায়, কাজীরসুরা গ্রামের আদেল খলিফার রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটলে সিরাজ দর্জির ২টি ঘর, কামাল বেপারির ১টি ঘরসহ ৪টি বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়। এ সময় ঘরে রাখা ৪১ মণ পাট, ১৭ মণ রবিশস্যসহ প্রায় লাখ টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়। এলাকাবাসীর ২ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
Showing posts with label অগ্নিকাণ্ড. Show all posts
Showing posts with label অগ্নিকাণ্ড. Show all posts
দত্তপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
১৯ ডিসেম্বর, ২০১০:: আজ রবিবার সন্ধ্যায় শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নে বাদশাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ১০টি বসতঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে।
জানা যায়, চর বাচামারা গ্রামের খলিল শেখের রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটলে দেলোয়ার শেখের ২টি, কহিনুর শেখের ১টি, রিজু শেখের ১টি, করিম শেখের ২টি, খলিল শেখের ২টি ঘরসহ দশটি ঘর আগুনে পুড়ে যায়। এ সময় ঘরে রাখা ৮১ মণ পাট, ৩৩ মণ রবিশস্য, নগদ ৭৩ হাজার টাকাসহ প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মালামালা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি হয়। এলকাবাসীর ২ ঘণ্টা আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
জানা যায়, চর বাচামারা গ্রামের খলিল শেখের রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটলে দেলোয়ার শেখের ২টি, কহিনুর শেখের ১টি, রিজু শেখের ১টি, করিম শেখের ২টি, খলিল শেখের ২টি ঘরসহ দশটি ঘর আগুনে পুড়ে যায়। এ সময় ঘরে রাখা ৮১ মণ পাট, ৩৩ মণ রবিশস্য, নগদ ৭৩ হাজার টাকাসহ প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মালামালা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি হয়। এলকাবাসীর ২ ঘণ্টা আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
বন্দরখোলা ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ড ৩টি বসত ঘর পুড়ে ছাই
১২ ডিসেম্বর, ২০১০ :: আজ রবিবার বিকেলে শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজিরসুরা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি বসতঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়েছে।
জানা যায়, কাজিরসুরা গ্রামে বারেক মুন্সীর রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এসময় চান মিয়া মুন্সীর ২টি বসতঘরসহ ৩টি বসতঘর পুড়ে যায়। ঘরে রাখা ২২ হাজার টাকা, ২৭ মণ পাটসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলাকাবাসীর ২ ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
শিবচরের চরাঞ্চলে অগ্নিকাণ্ডে ২ দোকান ১ বসতঘর ভস্মীভুত : সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
আজ সোমবার সকালে শিবচরের পদ্মা বেষ্টিত চরাঞ্চল চরজানাজাত ইউনিয়নের হাজরা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ২টি দোকান ও ১টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে।
সূত্র জানায়, সকালে হাজরা বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী মোস্তফা মিয়ার ফার্মেসিতে আগুন লাগে। আগুনে ফার্মেসি, পাশের মোজাম্মেল বেপারির টেইলার্স ও বসতঘর পুড়ে যায়। এতে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয়রা প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
শিবচরে অগ্নিকাণ্ডে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই
শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার কাজীসুরা বন্দরখোলা গ্রামে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ আরো প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার ফসল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ আমজাদ কারাল জানান, রাত ১২টার দিকে সম্ভবত রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা দ্রুত আমার ৩টি ঘর ও প্রতিবেশী রশিদ কাড়ালের ২টি ঘরসহ মোট ৫টি ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
আগুনে অপর ক্ষতিগ্রস্থ রশিদ কাড়াল বলেন, চৈত্র মাসে পুকুরগুলোতে পানিশূন্য থাকার ফলে আগুন নেভানোর চেষ্টা তেমন কাজে লাগেনি ফলে খুব দ্রুত ঘরে থাকা ফসল সহ ৫টি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়া শিবচর উপজেলাসহ আশেপাশের কোন উপজেলায় ফায়ার স্টেশন না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা আরো বেশি অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। এতে আমাদের প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
শিবচরে অগ্নিকান্ডে ১৭ টি ঘর ভস্মীভুত : ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
আজ শনিবার দুপুরে পৃথক অগ্নিকাণ্ডে শিবচর পৌরসভা ও ভাণ্ডাড়িকান্দি এলাকার ১৭টি ঘর ভস্মীভুত হয়েছে। আগুনে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ভদ্রাসন ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন নান্নু জানান, দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভদ্রাসনের দক্ষিণ ক্রোকচর গ্রামের মতলেব হাওলাদার, আবু কালাম হাওলাদার, বাবুল হাওলাদার, মানিক হাওলাদারের বসতঘরসহ ৭টি ঘর ভস্মীভুত হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা চেষ্টার পর স্থানীয়ভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে।
অপরদিকে দুপুরে পৌরসভার নলগোড়া মৃধাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে তৈয়ব মৃধা, সুলতান মৃধা, সৈয়দউদ্দিন মৃধা, মাইনুদ্দিন কারিকর, ইবরা কারিকরের বসতঘরসহ ১০টি ঘর ভস্মীভুত হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় অগ্নিকাণ্ডে রবিশস্যসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো খোলা আকাশের নীচে অবস্থান করছে।
শিবচরে দুই দিনে ভস্মীভুত ৩৩টি ঘর ও জমির ফসল : ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি টাকা
বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নে কাবিলপুর গ্রামে পৃথক অগ্নিকাণ্ডে ১২টি ঘর ও ২৮ কাঠা জমির ফসল ভস্মীভুত হয়েছে । এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার , গবাদি পশুসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এনিয়ে গত দুদিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আগুনে ৩৩টি ঘর, ফসলি জমিসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলো।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে উমেদপুরের কাবিলপুর গ্রামের হালান মাদবর, সেকান মাদবর, মান্নান মাদবর, নুরন্নবী মাদবর, মজিবর মাদবরসহ ৭ শরিকের বসতঘরসহ ১২টি ঘর ভস্মীভুত হয়। অপর এক অগ্নিকাণ্ডে একই গ্রামের আঞ্জু ফকির, কোটন মুন্সী, ছালাম ফকির ও দেলোয়ার ফকিরের ২৮ কাঠা রসুন, কালিজিরা ও ডালসহ বিভিন্ন ফসল ভস্মীভুত হয়।
অপরদিকে বুধবার অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ্চর ইউনিয়নের খানাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে হাশেম মাদবর, ইমাজউদ্দিন মাদবর, হাবি মাদবর, কলিমুল্লাহ মাদবরের বসতঘরসহ ৬টি ঘর পুড়ে যায়। কুতুবপুর হাজী লালু বেপারিকান্দি এলাকায় ইনছান মাদবর, দাদন ফকির, হাচান হাওলাদার ও হানিফ হাওলাদারের বসত ঘরসহ ১০টি ঘর পুড়ে যায়। ভদ্রাসন এলাকার মিনাকান্দিতে অগ্নিকান্ডে রমিজউদ্দিন সিকদার, মজিবর সিকদার ও সামাদ সিকদারের বসতঘরসহ ৫টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এসকল অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শিবচরে অগ্নিকাণ্ডে ২১ ঘর ভস্মীভূত : ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
শিবচরে পাঁচ্চর, কুতুবপুর ও ভদ্রাসনে পৃথক পৃথক অগ্নিকাণ্ডে ২১টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে । অগ্নিকাণ্ডে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ বুধবার সকালে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ্চর ইউনিয়নের খানাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে হাশেম মাদবর, ইমাজউদ্দিন মাদবর, হাবি মাদবর, কলিমুল্লাহ মাদবরের বসতঘরসহ ৬টি ঘর পুড়ে যায়। বিকেলে কুতুবপুর হাজী লালু বেপারিকান্দি এলাকায় ইনছান মাদবর, দাদন ফকির, হাচান হাওলাদার ও হানিফ হাওলাদারের বসত ঘরসহ ১০টি ঘর পুড়ে যায়। এছাড়াও গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভদ্রাসন এলাকার মিনাকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে রমিজউদ্দিন সিকদার, মজিবর সিকদার ও সামাদ সিকদারের বসতঘরসহ ৫টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এসকল অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
পৃথক দুই অগ্নিকাণ্ডে ৯টি ঘর পুড়ে ছাই
সোমবার রাতে শিবচর উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামে ও পাঁচ্চর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পৃথক দু’টি অগ্নিকাণ্ডে ৬টি বসতঘর ও ৩টি রান্নাঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়েছে। এ সময় ঘরে রাখা নগদ অর্থ, ২শ’ মণ পাট ও ১শ’ মণ রবিশস্য সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
সোমবার সন্ধ্যারাতে উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের মান্নান খাঁর রান্নাঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে মোখলেস খাঁর ২টি ঘর, সোনা খাঁর ১টি ঘর, আকলিমার ১টি ঘর, হাকিম খাঁর ২টি ঘর ও মান্নান খাঁর ২টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়। এলাকাবাসী প্রায় চার ঘণ্টা পড়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়তির পরিমাণ প্রায় ১২ লাখ টাকা।
এদিকে একই রাতে উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের শাহিন মিয়ার ১টি বসতঘর আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়। ঘরে রাখা বিভিন্ন মালামালসহ ১টি ছাগল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়।
শিবচরের দ্বিতীয়খণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে ৫টি দোকান ভস্মীভুত
১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার দ্বিতীয়খণ্ড ইউনিয়নের মৃধাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ৫টি দোকানঘর সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভুত হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল।
জানা যায়, ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে লিটন আকন্দের ঔষধের দোকান, সোহাগের বৈদ্যুতিক মালামালের দোকান, সেলিমের থান কাপড়ের দোকান, শফি খলিফার মুদি দোকান, ইব্রাহীম মাদবরের টেইলার্স ও থান কাপড়ের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভুতহয়। এলাকাবাসী ২ঘণ্টা পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
কুতুবপুর বাজারে পাটের গুদামে আগুন : ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টায় শিবচর উপজেলার কুতুবপুর বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় সাড়ে ৭শ' মণের একটি পাটের গোলা পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। জানা যায়, কুতুবপুর বাজারে সরকারি একটি টল-ঘরে পাট ব্যবসায়ী আমিন উদ্দিন মাদবর, লতিফ বেপারি, মো. চান মিয়া মোল্লা, শুকুর বেপারি ৭শ' ৫০ মণ পাট বিক্রির জন্য গোলা করে রাখে। শনিবার রাতে রহস্যজনকভাবে গোলাটিতে আগুন লাগলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রায় ৩ ঘণ্টা পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সম হয়। ব্যবসায়ীরা ঘটনাটি নাশকতা বলে উল্লেখ করেছেন।
শিরুয়াইল বাজারে অগ্নিকাণ্ড : ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মীভুত
বৃহস্পতিবার রাত ১টায় শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩টি দোকানসহ প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মীভুত হয়েছে। জানা যায়, মধ্যরাতে আক্কাস বেপারির মুদি দোকানে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলে ছাত্তার বেপরীর ১টি জুতার দোকান ও আক্কাস বেপারির অন্য ১টি কসমেটিক্সের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দু'ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকা।
Subscribe to:
Posts (Atom)