সাইট উন্নয়নে আপনাদের লেখা ও পরামর্শ চাচ্ছি-সম্পাদক

শিবচরে ইয়াবাসহ এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

সোমবার রাত সাড়ে ১১ টায় শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দি ফেরিঘাট থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮, মাদারীপুর ক্যাম্প। 
র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের ফ্লাইট লেঃ এম. শামীম সরকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদারীপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ টিম তার নিজের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালনাকালে শিবচর উপজেলার ভাঙ্গা-কাওড়াকান্দি মহাসড়কের কাওড়াকান্দি (এক ও দুই নম্বর চরজানাজাত) ফেরিঘাট মোড় থেকে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে শরিয়তপুর জেলার পালং থানার চরকোয়ারপুর গ্রামের সাহাজউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী মো. সালাম হাওলাদার (২৮) কে ৫০টি যৌন উত্তেজক ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। 
তিনি আরো বলেন, সালাম হাওলাদার একজন পেশাদার ইয়াবা ব্যবসায়ী। সে ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে যৌন উত্তেজক ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় করে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ শিবচর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Read More ... »

শিবচরে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত ৮ আসামি গ্রেফতার

শিবচর থানা পুলিশ সোমবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আট আসামিকে গ্রেফতার করেছে। 
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আবদুল্লাহের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার উমেদপুর, নিলখি, কুতুবপুর ও মাদবরচর ইউনিয়নে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে মজিদ, জামাল, জালালসহ ৮ আট আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
Read More ... »

শিবচরে কালবৈশাখী ঝড়ে শতাধিক কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত : আহত -২

গতকাল রাতে শিবচরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে শতাধিক কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্তসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ সময় বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাদিরশুলা গ্রামে ঘরের চাপা পড়ে ফারুক (৩২) ও তার স্ত্রী মাহফুজা (১৮) আহত হয়েছে। উপজেলার নিলখী, চরজানাজাত, কাঁঠালবাড়ি, শিরুয়াইল ইউনিয়নে পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদের চরাঞ্চলের প্রায় শতাধিক কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এছাড়া দত্তপাড়া-উৎরাইল সড়কে গাছ পড়ে ১০ ঘণ্টা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
Read More ... »

যাত্রী প্রতি আবারো ৩ টাকা লঞ্চ ভাড়া বাড়লো মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে

আবারো যাত্রী প্রতি ৩ টাকা লঞ্চ ভাড়া বাড়ানো হলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে। আজ সকাল থেকে এরুটের লঞ্চগুলো ১২ টাকার স্থলে ১৫ টাকা ভাড়া আদায় শুরু করেছে । 
কাওড়াকান্দি লঞ্চ মালিক সূত্র জানায়, আজ সোমবার সকালে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের উপস্থিতিতে লঞ্চ মালিকদের এক সভায় লঞ্চ ভাড়া ৩ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। এসময় লঞ্চ মালিকরা বিআইডব্লিউটিএ নির্ধারিত ২২ টাকা ভাড়ার দাবী করেন। কিন্তু সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ভাড়া ৩ টাকা বাড়িয়ে ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আ. মান্নান হাওলাদার, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান আ. মালেক মিয়া, বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি কেএম মাহমুদুর রহমান, মাওয়া জোনের সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর চৌধুরী, কাওড়াকান্দি জোন সভাপতি আতাহার বেপারি প্রমুখ। 
এর আগে ১ জানুয়ারি কোন ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ৩ টাকা ভাড়া বৃদ্ধি করে ১৫ টাকা ভাড়া আদায় শুরু করেছিল এ রুটের ৮১টি লঞ্চ। গত ২৬ ফেব্র“য়ারি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৩ টাকা ভাড়া কমিয়ে ১২ টাকা ভাড়া আদায় শুরু হয়েছিল। 
কাওড়াকান্দি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি আতাহার হোসেন বেপারি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ মাওয়া-কাওড়াকান্দির নির্ধারিত ভাড়া ২২ টাকা। অথচ আমরা দীর্ঘদিন ধরে ১২ টাকা আদায় করছি। ফলে এরুটের লঞ্চ মালিক শ্রমিকরা মারাত্মকভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। এরই প্রেক্ষিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সভার মাধ্যমে ভাড়া ১২ টাকার স্থলে ১৫ টাকা করা হয়েছে। ৩ মাস পর আবারো সভা করে ভাড়া ২২ টাকা করার আশ্বাস পাওয়া গেছে মন্ত্রণালয় থেকে।
Read More ... »

পাবনা ও সিরাজগঞ্জের ৮ চরমপন্থী ও ২ ডাকাত সর্দার শিবচরে গ্রেফতার

আজ শনিবার দুপুরে শিবচরের চান্দেরচর বাজারে মুসুরির ডাল ফসল চুরির সময় হাতেনাতে আটক এক চোরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পাবনা ও সিরাজগঞ্জের ৮ চরমপন্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়াও পৃথক এক অভিযানে পুলিশ দুর্ধর্ষ দুই ডাকাত সর্দারকে আটক করেছে। 
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল জানান, আজ চান্দেরচর বাজারে একটি ভ্যানের মুসুরির ডাল চুরির সময় বারেক মিয়া (৫২) নামের এক চোরকে হাতেনাতে আটক করে জনতা। বারেককে পুলিশে সোপর্দ করলে তার স্বীকারোক্তি মতে শিবচর থানার ওসি ও এসআই মো. আলমগীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কাওড়াকান্দি ঘাটের একটি বোর্ডিং থেকে মিঠুন সরদার (২২), হারুন সরদার (৩৮), আলম মণ্ডল (৩২), বাবু মোল্যা (২৮), সুরুজ ইসলাম (২৮), ফজলে খান (৪৬) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও কলকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের ৬ জনের বাড়ি পাবনা জেলায় এবং বাকি দুজন সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহের। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে ভ্যানচালক ও কুলির বেশে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা সংঘঠিত করত। পুলিশ ধারণা করছে গ্রেফতারকৃতরা চরমপন্থী দলের সদস্য হওয়ায় পুলিশি অ্যাকশনে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। 
এছাড়াও শিবচর থানা পুলিশের দুটি দল উপজেলার ভদ্রাসন থেকে এক ডজন ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার নূর মোহাম্মদ খাঁ (৪৫) ও দত্তপাড়া থেকে হাফ ডজন ডাকাতি মামলার আসামি হাকিম খাঁকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে।
Read More ... »

শিবচরে অগ্নিকান্ডে ১৭ টি ঘর ভস্মীভুত : ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আজ শনিবার দুপুরে পৃথক অগ্নিকাণ্ডে শিবচর পৌরসভা ও ভাণ্ডাড়িকান্দি এলাকার ১৭টি ঘর ভস্মীভুত হয়েছে। আগুনে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 
ভদ্রাসন ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন নান্নু জানান, দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভদ্রাসনের দক্ষিণ ক্রোকচর গ্রামের মতলেব হাওলাদার, আবু কালাম হাওলাদার, বাবুল হাওলাদার, মানিক হাওলাদারের বসতঘরসহ ৭টি ঘর ভস্মীভুত হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা চেষ্টার পর স্থানীয়ভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। 
অপরদিকে দুপুরে পৌরসভার নলগোড়া মৃধাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে তৈয়ব মৃধা, সুলতান মৃধা, সৈয়দউদ্দিন মৃধা, মাইনুদ্দিন কারিকর, ইবরা কারিকরের বসতঘরসহ ১০টি ঘর ভস্মীভুত হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় অগ্নিকাণ্ডে রবিশস্যসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো খোলা আকাশের নীচে অবস্থান করছে।
Read More ... »

এ যেন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা !

ধার করা টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ফেরৎ নিয়ে আসা হয়েছে নিজ দেহে কিরোসিন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাকারী শিবচর পৌরসভার ভ্যানচালকের মেয়ে লাবনী আক্তারকে(২০)। 
ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও শিবচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে লাবনী। বিমর্ষ অসহায় পরিবারটিতে যেন মৃত্যুর জন্যই অপেক্ষা চলছে। 
পারিবারিক সূত্র জানায়, শিবচর পৌর এলাকার যাদুয়ারচর এলাকার ভ্যানচালক নুরুল ইসলাম বাসারের বড় মেয়ে লাবনী আক্তারের সাথে নিকটাত্মীয় রংপুরের চিলমাড়ি এলাকার মোহাম্মদ আলীর দীর্ঘদিন ধরে মোবাইলে প্রেম চলছিল। এরই সূত্র ধরে গত ১৫ দিন আগে মোহাম্মদ আলী লাবনীদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। ৫ দিন অবস্থানের পর মোহাম্মদ আলী তার কর্মস্থল ঢাকায় ফিরে যায়। কিন্তু লাবনী আক্তার ও মোহাম্মদ আলীর চলাফেরায় সন্দেহ হলে গত শুক্রবার (৫ মার্চ) অভিভাবকরা লাবনীর মোবাইল সেটটি নিয়ে যায় ও বাড়িতে কলহ হয়। এরই সূত্র ধরে গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১ টায় নিজ বাড়ির উঠানে নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন শরীরে ছড়িয়ে পড়লে তার আর্ত্মচিৎকারে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শিবচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। বুধবার দুপুরের মধ্যে লাবনীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। কিন্তু সাথে নেয়া ধার করা ১০ হাজার টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় উপায় না পেয়ে অসহায় পরিবারটি রাতেই লাবনীকে নিয়ে আসে শিবচরে। স্থানীয়ভাবে হাসপাতালে তিলের তেল ও কেঁচোর তেল দিয়ে লাবনীকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। হাতের রগ চিহ্ণিত করতে না পারায় স্যালাইন দেয়া যাচ্ছে না। 
লাবনী মৃদু কণ্ঠে বলেন, আমার বাঁচতে ইচ্ছা করে। আমাকে বাঁচান। 
লাবনীর মা রুবিহা বলেন, আমার কইলজার টুকরা আমার সামনেই মইরা যাইতাছে। টাকার অভাবে আমরা চিকিৎসা করাইতে পারতাছি না। টাকার অভাবে বাধ্য হইহা ওরে শিবচর আনছি। কি করমু? 
লাবনীর মেজো মামি রিজি বেগম বলেন, লাবনীরা ৫ বোন ১ ভাই নিয়ে বড় অভাবের সংসার। আমরা আত্মীয় স্বজন প্রায় সকলেই গরীব। ভাগ্নির বাঁচার আর্তি শুনেও টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না। 
শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আশরাফুল ইসলাম তমাল বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা করালে মেয়েটির বাঁচার সম্ভাবনা ছিলো। কিন্তু টাকার অভাবে ভর্তি করেও শিবচর নিয়ে এসেছে। কিন্তু আমরা কোন চিকিৎসা দিতে পারছি না। 
লাবনীকে বাচাঁতে সহযোগিতা করতে ওর সেঝো মামা সিদ্দিক মিয়ার মোবাইলে (০১৯২২৯০৩১১৫ যোগাযোগের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে পরিবারটি।
Read More ... »

শিবচরে দুই দিনে ভস্মীভুত ৩৩টি ঘর ও জমির ফসল : ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি টাকা

বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নে কাবিলপুর গ্রামে পৃথক অগ্নিকাণ্ডে ১২টি ঘর ও ২৮ কাঠা জমির ফসল ভস্মীভুত হয়েছে । এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার , গবাদি পশুসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এনিয়ে গত দুদিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আগুনে ৩৩টি ঘর, ফসলি জমিসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলো। 
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে উমেদপুরের কাবিলপুর গ্রামের হালান মাদবর, সেকান মাদবর, মান্নান মাদবর, নুরন্নবী মাদবর, মজিবর মাদবরসহ ৭ শরিকের বসতঘরসহ ১২টি ঘর ভস্মীভুত হয়। অপর এক অগ্নিকাণ্ডে একই গ্রামের আঞ্জু ফকির, কোটন মুন্সী, ছালাম ফকির ও দেলোয়ার ফকিরের ২৮ কাঠা রসুন, কালিজিরা ও ডালসহ বিভিন্ন ফসল ভস্মীভুত হয়। 
অপরদিকে বুধবার অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ্চর ইউনিয়নের খানাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে হাশেম মাদবর, ইমাজউদ্দিন মাদবর, হাবি মাদবর, কলিমুল্লাহ মাদবরের বসতঘরসহ ৬টি ঘর পুড়ে যায়। কুতুবপুর হাজী লালু বেপারিকান্দি এলাকায় ইনছান মাদবর, দাদন ফকির, হাচান হাওলাদার ও হানিফ হাওলাদারের বসত ঘরসহ ১০টি ঘর পুড়ে যায়। ভদ্রাসন এলাকার মিনাকান্দিতে অগ্নিকান্ডে রমিজউদ্দিন সিকদার, মজিবর সিকদার ও সামাদ সিকদারের বসতঘরসহ ৫টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এসকল অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
Read More ... »

প্রবাসীর লেখা

বিশ্ব বিরহদিবস ৩০ জুন


অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হাবিবী, লন্ডন থেকে
শিরোনাম দেখে ভ্রু কুচকাবেন না, প্লিজ। বলবেন না, এত বড় একটি পবিত্র দিনেও লোকটির মনে উল্টো জোয়ার। সারা বিশ্বে যখন ভালবাসা দিবস বা ভালেন্টাইন'স ডে পালিত হয়-বলা যায় যথাযথ মর্যাদার সাথে (হয়ত একদিন রাষ্ট্রীয়ভাবেও পালিত হবে, রাষ্ট্রপ্রধান বাণী দেবেন, পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র বেরুবে), সেখানে এবং সেই মূহুর্তে আমি 'সেকদিবস' বা 'বিশ্ব বিরহদিবস' পালন করছি, প্রবন্ধ লিখছি, পত্রিকায় প্রকাশও করছি। আসলে আপনাদের কষ্ট আমি বুঝি। তবে আপনাদেরও মনে রাখতে বলি যে, মতামতটি একান্ত আমার। আমি যদি বলি, কোন একটি গ্রহে ফুল ফোটে কষ্টের তাপে, তাতে তো আপনি রাগ করতে পারেন না।

ফরাসীরা 'স্যঁ ভালোস্তা' বলে 'কমিউন' বা কমিউনিটিকেও জানে, সেখানে সব ধরণের কপোত-কপোতির প্রবেশাধিকার নেই।এর অর্থ হল, প্রেমেও শ্রেণী বিন্যাস আছে। ইতালীতে এই নামের একটি গেইট আছে, যেখানে নারী-পুরুষের সম্পর্ককে মেনে নিয়েছিলেন বলে খ্রিস্টান ধর্ম যাজকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল।

আসলে ভালেন্টাইন'স ডে'র ইতিহাস নিয়েও আছে গোঁজামিল। নানান মত।পাখির বিবাহ, রোমীয় জুনো দেবীর নামে ছুটি, চক্ষু দান এবং ফ্রেন্স কবির জেল-জীবন ইত্যাদি। ভালবাসা দিবসের সূচনা ২৬৯ খৃষ্টাব্দ নয়, তার শুরু আদম সন্তান হাবিল-কাবিলের বিবাহ বিষয়ে রক্তপাতের দিন থেকে।

সে দিন সেখানে কোন প্রকার ভালবাসাবাসি ছিল না, ছিল খোদা প্রদত্ত আদেশ পালনের এষণা। সে আশায় প্রেম না এসেও বিরহ এসেছিল। বলা যায়, প্রথম বিরহ, তারপর প্রেম। প্রেমের জন্য বিরহের প্রয়োজন। সম্রাট শাহজাহান তাজমহলের মর্মর পাথরের কারুকাজে বিরহকেই তো বাঁচিয়ে রেখেছেন। তিনি বিরহকে ভালবাসতেন বলে তাজমহল নির্মিত হয়েছিল স্ত্রীর জীবদ্দশায়।


নামেও কিছু আসে যায় 

ইংরেজি Love, বাংলার প্রেম-ভালবাসা সমান্তরাল নয়। Love দিয়ে বিস্তৃত অর্থ প্রকাশ করা যায়। প্রেম এর প্রবেশ সর্বত্র অননুমোদিত। আপেক্ষিক। বাংলার 'ভালবাসা সিমায়িত। বাংলায় 'লাভ' মানে স্বার্থ; যেমন অর্থ-বিত্ত, না হয় রূপ-লাবণ্য। সাহিত্যের সর্বত্র রূপের পুঁজো। সুন্দরীগণ প্রেম বিষয়ে জানে আগে, বুঝে পরে, কাদেঁও বেশী। আমার একটি নাটকের নাম, 'ভালবাসার হাত পা'। '৯৯ ভার্সিটির রেগ ডে'র মঞ্চে একটি গান গেয়েছিলাম। 'রূপ বিহীনার প্রেম হায় কানা...। অনেকেই লাভ এবং লোভের আশায় Love করে। বলা যায়, The worship of Mammon. 'প্রতি অঙ্গ লাগি প্রতি অঙ্গ'র কান্না। এই জন্যেই জার্মানরা Love বলতে 'লিভে' উচ্চারণ ভেদে লিভার কে বুঝে। লিভার থাকে পেটের পাশেই। পকেট ফতুর, খাও, গাও সময় বুঝে ধাও, মানে উধাও হয়ে যাও। অন্যের হাত ধরে বনে যাও পূত-শুচিতা। আর স্পেনীশদের কাছে প্রেম মানে 'ভণিতা'।বাংলায় এর অর্থ সবার জানা। আরবিতে প্রেম শব্দের তরজুমা 'উদ'ও হয়। বাংলায় উদ একটি প্রাণীর নাম, -যে জলে-পুকুরে ডুব দিয়ে চুরি করে মাছ খায়। প্রেমও তো তাই, আসে চুপে চুপে, চুরি করে।

তাই সম্ভবত: টেনিসের জিরো পয়েন্টের নাম Love. তা হলে কি ধরে নেব যে, ইংরেজরাও প্রেম বলতে সেক মানে কষ্ট বা জিরো অথবা শুন্যকে বুঝে? ফিলিপিনদের কাছে Love এর অর্থ pag-ibig. শব্দটি noun. কর্মবাচ্যে এর প্রতিশব্দ নেই। জাপানিদের প্রেম 'রা নাই'।সোজা অর্থ হল, প্রেমে পড়, মর, নো হায়-হুতাশ, নো সাউন্ড। শব্দ করলে পরিবার থেকে খাবেন কিল এবং সমাজ থেকে ঢিল।

এ রকম আরো একটি মজারদার শব্দের সন্ধান পেয়েছি তার্কিশ ডিকশনারিতে। তাদের কাছে Love অর্থ সবজী বা সেবজী। মানেটা কি? খাও আর খেতে দাও। তবে 'ভেজেটেরিয়ান লাভ'। সোমালিয়ানদের কাছে প্রেম এর অর্থ 'জালাই হা'। বাংলায় তরজুমা করে যদি বলি ' জ্বালায় খা'-কেমন হয়? কারণ, প্রেমে পড়লে জ্বালা পেতে হবে সন্দেহ নেই। ঐ যে গ্রামে বলে, 'প্রেমের নাম বেদনা'। বেদনা শব্দের দুটি অর্থ, কষ্ট এবং বেদনা (এক প্রকার ফল)। গুরুমম্ভির বাক্যে বলি, জ্ঞানীদের প্রেম কষ্টের, গরীবের প্রেম বেদনার। ভালবাসা পেতে হলে ভাল বাসার প্রয়োজন। আমি একজনকে জানি, যার শহরে ভাল বাসা বা বাড়ি ছিল না বলে তাকে 'সাধের লাউ' এর ডুগডুগি বাজাতে হয়েছিল।


মরা ও মরমী 

সেক-ডে বা বিরহদিবস পালন করা দোষের নয়। প্রেমের বিপরীত শব্দ সেক বা ছেক। এই ছেক থেকে আসে বিরহ। সেক শব্দটি যথোচিৎ তবে বিরহ ভদ্রজনোচিৎ। সেক আছে বলেই তো প্রেমে মজা।একটু এগিয়ে বলি, সেক প্রেমের বড় ভাই। বড় ভাই যেমন বাবার মত শাসন করে, সেকও প্রেমকে এগিয়ে নিয়ে যায়। শক্তি আনে, সাহস জোগায়। ছেকায় যেমন আটার খামির পুড়ে রুটি হয়, কামার ও কুমার মাটি পুড়ে গড়ে ব্যবহার্য সামগ্রী। পুড়লেই সোনা খাঁটি হয়। ভাত-তরকারী পুড়লেই খাবার হয়। প্রেমও তেমন। আজ যারা বিখ্যাত তারা জীবনে বহুবার, বহুভাবে সেকা খেয়েছেন। হয়ত তারা বলেন না। কিনতু আপনি এদের চেনেন। আমিও কয়েকজনকে জানি। সেকা খাওয়া মুরুব্বিরা বলেছেন, 'Love, and a cough, can not be hid'. চাঁটগাইয়্যা শেফালী ঘোষ গেয়েছেন, 'ঢোলর বারি হড়র তলে হ দিন থাকিব'।থাকে না।

সেই শেক্সপিয়র, বার্ণাড শ, সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা কার্লমাক্স, লেনিন, বিশ্ব বিখ্যাত ফার্সি কবি ওমর খৈয়ামের একটি তিলকের কাছে বোখারা রাজ্য বিলিয়ে দেয়া, ইংল্যান্ডের প্রিন্স এর সিংহাসন ত্যাগ, ডায়েনার চালর্স আরো অনেকেই। সে দিনও বিদ্রোহের কবি বল্লেন, 'হে মোর রাণী, তোমার কাছে হার মানি আজ শেষে, আমার বিজয় কেতন উড়াই তোমার চরণ তলে এসে'। সব চেয়ে বেশী সমর্পিত ছিলেন আমাদের এই আমামা এবং দামামার কবি। রবীন্দ্রনাথেও প্রেমাঘাত আছে। আছে অসহ বিরহ দহ।'আমি যারে চাই তারে নাহি পাই, যারে পাই তারে চাই না'-হল সেকা'র কবিতা, আর ' হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে তোমায় পাই নি'.., বিরহের দহ।

যাকে নিয়ে এই ভালেন্টাইন'স ডে, সেও তো সেকা খেয়েছেন। বিরহে জ্বলেছেন। মজেছেন। মজাতে পারেন নি। লাইল-মজনু, শিরি-ফরহাদ, ইউসুফ-জোলেখা, চন্ডিদাস-রজকিনী, রোমিও-জুলিয়েট, হিরো-লিয়েন্ডার, যাকে নিয়ে নজরুল লিখেছেন,'আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী, মহাসিন্ধু ঘুমঘুম' সেই অর্ফিয়াস-ইউরিডাইস, পুরূরবা-উর্বশী, গ্রীকদের অ্যাকোন্টিয়াম-সাইডিপি, পুরাণের রুরু-প্রমদ্বরা, দেবযানি-কচ ও সতী-মহাদেব, যাকে নিয়ে রোমিও-জুলিয়েটের আবিস্কার সেই পারমিউস-থিসবি সবই তো ব্যর্থতার, সেকার বা বিরহের, বেদনার, কষ্টের, লাঞ্চনার, বঞ্চনার ইতিবৃত্ত ও ইতিহাস!


স্বীয় চরকা 

আমার ছাত্র জীবন ছিল বড়ই 'করুণরসে' পূর্ণ। পরিবারে এবং সমাজে অনেকটা অবাধ্যজন হিসেবে আমার পরিচিতি ছিল। সবাই বলতেন, 'ও কিছু হবে না'। প্রাইমারি স্কুল থেকে ঘরছাড়া-স্বেচ্ছায় নির্বাসন। সেখান থেকে ভার্সিটি, সাহিত্য সংগঠন, গান, কবিতা, নাটক, '৮৯ সালের রেগ-ডের বাউল, '৮৮ এর ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্তদের সাহায্যের আবেদন জানিয়ে রাস্তায়, গ্রামে-গঞ্জে হেঁটে হেঁটে গান গাওয়া, পত্রিকা-রেডিওতে কাজ, লেখালেখি, শিক্ষকতা, সর্বশেষ অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্রত্ব গ্রহণ; এ সব কিছুর পিছনে আমাকে প্রচুর ছুটতে হয়েছে। অক্লান্ত।

চলার পথে অনেকের সাথে দেখা, পরিচয় হয়েছে।

জীবনের বিচিত্র গলিতে প্রেম-ভালোবাসাকে আমি বিভিন্নভাবে দেখেছি। বালিয়াড়ি এবং মরিচিকার মত প্রেম-ভালোবাসার সহজ কোন ব্যাখ্যা নেই। প্রেম এই আছে, এই নাই। আসে। যায়। এলে দহ। গেলে বিরহ। কাছে এলে বলি 'কেন যায় না'। গেলে বলি, 'হায়! হায়'!!

ছড়ায় বলি, ভালবাসা মিউ মিউ/ অবুঝ বুঝের বুঝ
জীবনধারার নাদান কিউ/ দুই মনের ত্রিভূজ।

আপনি যখন বলেন, 'Love is Heaven' তখন আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, 'জন্মাদ্ধ ভালবাসা তুমি আমার/ তোমার নিয়ে আমার চরম দুর্দশা। রবীন্দ্র গোপ আরো কঠিন। তিনি বলেন, ' ভালবাসা অভিশাপ/ ফনা মেলে বিষধর সাপ'। ইংরেজিতে আছে: 'Love is game in which both player cheat'. আরবি শব্দ 'লাভ' অর্থও Game। কী অদ্ভুত মিল! এই সব গুণিজনদের কথা মেনে নিয়ে ভালবাসা দিবসে আমি চাইলে বিরহ দিবসও পালন করতে পারি।


এবং তাই 

পৃথিবীর অনেকেই প্রেমের জয়গান গেয়েছেন। আসলে তারা ভেতরে ভেতর সাগর সাহারা। বৈরাগী। বর্তমানের সাধু-সন্ত।

ভাবগম্ভীর কথা বলে অশ্রু লুকাবার ছল করেন মাত্র। ব্যর্থরাই বিজ্ঞ সেজে পরবর্তী প্রজন্মকে সস্তা উপদেশ বিতরণ করেন। তারা বলেন, 'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলে দেয়', বলি, সাধু, সাধু! কী সাংঘাতিক ছলনা, মর্মান্তিক গুরুগিরী! সেকা ঢাকার ঢাকঢোল সম্ভবত:। প্রেমের ল্যাং খেয়ে জীবনের অথৈ জলে 'আমায় ভাসাইলিরে, আমায় ডুবাইলিরে' গাইবেন আর নবদর্শন দেবেন তা তো হয় না।

সাহিত্যের আশি ভাগ জুড়ে আছে প্রেম-শ্যাম, আর প্রতি ছত্রে-মাত্রায় সেই বিখ্যাত গান-'তুমি কি দেখছো কভু জীবনের পরাজয়'.., অথবা, '…পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই', অথবা 'ভালবাসিয়া গেলাম ফাঁসিয়া..'! অর্থাৎ সর্বত্র হায় হুতাশ! দীর্ঘ শ্বাস!

ভালবাসা দিবসের জমকালো আয়োজনের মধ্যেও আপনি যদি একটু চোখ খুলে দেখেন, দেখবেন, গাছের আড়ালে, লেকের ধারে, কোন ঝর্ণা ধারার স্নিগ্ধসুশীতল মৃদুমলয়ে, ক্যাফে বা চেপে অজস্র অশ্রুধারা। টপ টপ। দীর্ঘশ্বাস ও বিরহের দহন কেউ দেখে না। হয়ত জানে গাছের পাতারা, বায়ু, ঘাষ এবং প্রজাপতি; যাদের নিকেটে এই যুগল ছিল। লন্ডনের টেমস, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি এবং ফয়েজলেকের জলও কিছুটা অবগত যে, বিরহ, ব্যর্থ-ব্যথা, দলিত, মথিতপ্রাণ নির্গত কি পরিমান অশ্রুতে এরা সিক্ত! এর মধ্যেও যারা হাসছেন, গাচ্ছেন, সুখি দম্পতির নিশান উড়িয়ে ছুটছেন হাওয়ার তালে তালে, তারাও সুখে নেই। তারা অভিনয় করেছন একটু প্রশান্তির অন্বেষায়-তৃষায়।

আমরা যখন ভালবাসা দিবস করি তখন এক কঠিন বাস্তবতাকে ভুলে যাই। ভালবাসা দিবসের দিন রমনার বটমূলে, দুটি আলাদা মঞ্চ তৈরি করে, মাইক দিয়ে এক দলকে বলুন গাইতে, আরেক দলকে বলুন কাঁদতে। সন্দেহ নেই যে, দ্বিতীয় দল ভারি হবে; কান্নার আওয়াজে হেরে যাবে নতুন মজনুরা। ভেসে যাবে Puppy love.

আমি ফ্রান্স সহ ইউরোপের অনেকগুলি দেশ ভ্রমণ করেছি। সেই 'বলোইনেরবন' এর দুইবৃক্ষের ধারে বসে 'জো তেইম শেরী' বলার মধ্যে দেখেছি চোখের জলও! আমার ফ্রেন্স বান্ধবী ৩৫ বছর পরও জানে না ভালেন্টাইন'স ডে প্রকৃত অর্থ কি।!

আর এই আমিও একজনের জন্য সেই ১৯৮৬ থেকে প্রতিক্ষণ অপেক্ষা করি।
তাকেঁ খুজিঁ আরেক জনের মধ্যে। কী মধুময়-অমিয় বিরহ!

পুন্শচ: আমি ১৯৮৬ থেকে ৩০ জুনকে 'বিশ্ব বিরহদিবস' হিসেবে পালন করে আসছি। আপনার যারা (নারী বা পুরুষ) সেকায় জ্বলে, পুড়ে, আছার, জুতো, গুতো, কিল, ঢিল, অর্ধচন্দ্র বা পুরোচন্দ্র খেয়ে, লাঞ্চিত, বঞ্চিত, প্রতারিত, বিতাড়িত, প্রত্যাখ্যাত, পদদলিত এবং অবহেলিত হয়ে, মরে মরে বেঁচে আছেন তাঁরা যেন ৩০ জুন লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে আসেন।  ১৫.১০.২০১০ ইংরেজি, লন্ডন।

sagarsahara@hotmail.com
Read More ... »

শিবচরে ফেরিওয়ালা বেশে ঘুরছে চরমপন্থি : ২ নারী সহযোগীসহ গ্রেফতার ৬

শিবচর উপজেলায় ফেরিওয়ালা বেশে চরমপন্থি বিস্তার লাভ করেছে বলে জানা যায়। 
আজ বুধবার ভোররাতে ২ নারী সহযোগীসহ জনযুদ্ধ এমএল বাহিনীর ৬ সক্রিয় চরমপন্থিকে গ্রেফতার করেছে শিবচর থানা পুলিশ। অভিযোগে প্রকাশ, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দলীয় ক্যাডাররা পরিচয় গোপন রেখে ছদ্মনামে শিবচর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফেরিওয়ালা ও ভ্যানচালক সেজে বিচরণ করছে। 
পুলিশ জানায়, কুষ্টিয়া থেকে আসা কালু মণ্ডল ও মনির হোসেন শিবচর থানায় গিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর থেকে পালিয়ে আসা হিসাব আলী ও সাহাবুল শিবচরে আত্মগোপন করেছে বলে পুলিশকে জানায়। তাদের দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে আজ বুধবার ভোর রাতে এসআই আবদুল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কুতুবপুর হুজ্জুত আলী বেপারি কান্দি এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে কুষ্টিয়ার চরমপন্থি সংগঠন (জনযুদ্ধ) ক্যাডার হিসাব আলী (৩০) ও তার স্ত্রী সুমাইয়া (২২) এবং শাহাবুল মণ্ডল (২৮) ও তার স্ত্রী হাসিনা (২৫)কে গ্রেফতার শিবচর থানায় নিয়ে আসে। পরে আটককৃতদের ভাষ্য মতে থানায় অভিযোগকারী কালু মণ্ডল ও মনিরুল ইসলামও চরমপন্থি নেতা বলে পুলিশ ধারণা করে। 
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কুষ্টিয়ার মিরপুর ও মেহেরপুরের গাংনী থানায় ফোন করে তাদের সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানেন ওরা সকলেই নিষিদ্ধ ঘোষিত জনযুদ্ধ দলের স্থানীয় ক্যাডার ও সন্ত্রাসী। 
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল জানান, গ্রেফতারকৃত কালু মণ্ডল কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার ১১নং তালিকাভুক্ত চরমপন্থি দরেলর ক্যাডার এবং শাহাবুল ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। এছাড়া অন্যান্যরা একাধিক মামলার পলাতক আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনের ৮টি সিম, ৪টি মোবাইল ফোনসেট, কয়েকটি আইডি কার্ড ও পাউডার জাতীয় দ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কুষ্টিয়া থানায় হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 
গ্রেফতারকৃত হাসিনা ও সুমাইয়া বলেন, আমাদের মধ্যে কালু মণ্ডল জনযুদ্ধের সক্রিয় নেতা। এক সাথে ৩ হত্যাসহ অসংখ্য হত্যা ও ঘটিয়েছে। ওই আমাদের এই লাইনে আনছে। ওর ভয়ে আমরা এলাকা ছাড়ছিলাম। শিবচর এলাকায় কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরের আরও অনেক লোক আছে। তারা মাঝে মধ্যেই আমাদের বাসায় আসত ওদের সঙ্গে কথা বলতে।
Read More ... »

প্রেমে বাধা দেয়ায় নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিবচরের এক তরুণী

প্রেমিকের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম মোবাইল সেট কেড়ে নেয়ায় নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন মাদারীপুর জেলার শিবচর পৌর এলাকার লাবনী আক্তার (২০) । শরীরের প্রায় শতভাগ দেহ ঝলসে লাবনী এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, শিবচর পৌর এলাকার যাদুয়ারচর এলাকার নুরুল ইসলাম বাসারের বড় মেয়ে লাবনী আক্তারের সাথে নিকটাত্মীয় রংপুরের চিলমাড়ি এলাকার মোহাম্মদ আলীর দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে প্রেম চলছিল। এরই সূত্র ধরে গত ১৫ দিন আগে মোহাম্মদ আলী লাবনীদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। ৫ দিন অবস্থানের পর মোহাম্মদ আলী তার কর্মস্থল ঢাকায় ফিরে যায়। কিন্তু এই ক'দিন লাবনী আক্তার ও মোহাম্মদ আলীর চলাফেরায় সন্দেহ হলে গত শুক্রবার (৫ মার্চ) অভিভাবকরা লাবনীর মোবাইল ফোনসেটটি নিয়ে যায় এবং লাবনীকে রাগারাগি করা হয়। এরই সূত্র ধরে গতকাল মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১ টায় নিজ বাড়ির উঠানে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন শরীরে ছড়িয়ে পড়লে তার আর্তচিৎকারে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শিবচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ঢাকায় নিয়ে যায়।
লাবনীর মামি সালমা বেগম বলেন, লাবনীরা ৫ বোন, ১ ভাই এতবড় সংসার নিয়ে কষ্ট করে তাই আমাদের বাড়িতেই থাকে। এর আগে একবার লাবনীর ঢাকার কালীগঞ্জের আবু কালাম নামে এক ব্যক্তির সাথে বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু স্বামীর বয়সের সাথে ওর বয়সের পার্থক্য বেশি হওয়ায় স্বামীর সাথে সম্পর্ক খারাপ ছিল। কিন্তু বর্তমানে যে ছেলের সাথে সম্পর্ক সেও ভাল না। ফলে ওর মা-বাবা সম্পর্কে বাধা দেয় ও যোগাযোগের মাধ্যম মোবাইল ফোনসেট নিয়ে নেয়। এজন্যই হয়তো মনের কষ্টে এরকম ঘটিয়েছে।
শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আশরাফুল ইসলাম তমাল বলেন, মেয়েটির সারা শরীরের প্রথম স্তরের চামড়া প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে স্যালাইন দিয়ে গত রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী শিবচর থানার এসআই অলিদুজ্জামান বলেন, লাবনীর পরিবারের সদস্যদের সাথে আলাপে মনে হয়েছে প্রেমে বাধা দেয়া ও বয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিয়ে দেয়ার কষ্ট থেকে স্বেচ্ছায় শরীরে আগুন দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
Read More ... »

মাদারীপুরের কালকিনি থেকে অপহৃত দুই স্কুলছাত্র শিবচরের উদ্ধার


মাদারীপুরের কালকিনির ডাসার এলাকা থেকে অপহৃত দুই স্কুলছাত্রকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের শিবচরের দত্তপাড়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। 
পারিবারিক সূত্র জানায়, দর্শনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আশিকুর রহমান অন্তু (১৩) ও আতাহার আলী একাডেমির ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র মেহেদি হাসান রায়হান (১২) গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে কালকিনির আশ্রম স্ট্যান্ডে পৌঁছলে তাদের নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশ্রিত রুমাল দিয়ে অজ্ঞান করে অজ্ঞাতনামা ৩ অপহরণকারী । পরে অপহরণকারীরা ২ ছাত্রকে প্রথমে টেম্পুযোগে পরে বাসযোগে ঢাকার উদ্দ্যেশে রওনা করে। বাসটি শিবচরের দত্তপাড়া নামক স্থানে পৌঁছলে দুই স্কুলছাত্রের জ্ঞান ফিরে আসে ও তারা বাস থেকে নেমে চিৎকার শুরু করলে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। স্কুলছাত্র অন্তু মোবাইল ফোনে বিষয়টি তার পিতাকে জানালে তারা শিবচর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় স্কুলছাত্রদের উদ্ধার করে গভীর রাতে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। আশিকুর রহমান অন্তু কালকিনি উপজেলার ডাসার এলাকার খলিল বেপারির ছেলে ও মেহেদি হাসান রায়হান ওই এলাকার বাবুল ইসলামের ছেলে। 
শিবচর উপজেলা প্রকৌশলী রঞ্জিত কুমার দে বলেন, ছেলে দুটি নিজস্ব বুদ্ধিমত্তায় বেঁচে গেছে। ছেলে দুটির জ্ঞান ফিরলেও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়নি। অভিভাবকদের কাছে ওদের হস্তান্তর করা হয়েছে।
Read More ... »

শিবচরে অগ্নিকাণ্ডে ২১ ঘর ভস্মীভূত : ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

শিবচরে পাঁচ্চর, কুতুবপুর ও ভদ্রাসনে পৃথক পৃথক অগ্নিকাণ্ডে ২১টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে । অগ্নিকাণ্ডে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 
স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ বুধবার সকালে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ্চর ইউনিয়নের খানাকান্দি গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে হাশেম মাদবর, ইমাজউদ্দিন মাদবর, হাবি মাদবর, কলিমুল্লাহ মাদবরের বসতঘরসহ ৬টি ঘর পুড়ে যায়। বিকেলে কুতুবপুর হাজী লালু বেপারিকান্দি এলাকায় ইনছান মাদবর, দাদন ফকির, হাচান হাওলাদার ও হানিফ হাওলাদারের বসত ঘরসহ ১০টি ঘর পুড়ে যায়। এছাড়াও গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভদ্রাসন এলাকার মিনাকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে রমিজউদ্দিন সিকদার, মজিবর সিকদার ও সামাদ সিকদারের বসতঘরসহ ৫টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এসকল অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 
Read More ... »

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা পেলো প্রায় আড়াই হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ


বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলো মাদারীপুরের প্রায় আড়াই হাজার সুবিধা বঞ্চিত মানুষ। যে মানুষগুলো দিন আনে দিন খেয়ে দিন কাটায় সেই মানুষগুলো অর্থোপেডিক, বক্ষ, গাইনিসহ নানা জটিল রোগের ১৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ পেলো। সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য এ চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমটি আয়োজন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান ট্রাস্ট। আজ মঙ্গলবার সকালে মাদারীপুর জেলার শিবচর প্রভাতী কিন্ডারগার্টেনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি নুর-ই-আলম চৌধুরী। স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তালুকদারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন খান, সংগঠনের জেলা সভাপতি ডা. আ. বারী, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম মিয়া প্রমুখ।
Read More ... »

ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ ॥ ৬ ঘণ্টা ট্রাক পারাপার বন্ধ, ৪ আনসার সদস্য প্রত্যাহার

চাঁদার মাধ্যমে সিরিয়াল ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে আনসারদের হামলায় এক ট্রাক চালক আহত হওয়ার ঘটনায় আজ দু’ঘণ্টা শিবচরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রাখে ট্রাক শ্রমিকরা।
এলাকাবাসী ও ট্রাক শ্রমিকরা জানায়, শিবচরের কাওড়াকান্দি ঘাটের বাঁশকল এলাকায় আজ মঙ্গলবার সকালে বড় অংকের চাঁদার মাধ্যমে পেছনের ৩টি ট্রাক সিরিয়াল ভেঙ্গে ফেরিতে উঠায় আনসার ও বিআইডব্লিউটিসির স্টাফরা। এসময় পারাপারের অপেক্ষায় থাকা ট্রাকগুলোর শ্রমিকরা প্রতিবাদ করলে দায়িত্বরত আনসার, স্থানীয় দোকানীরা ক্ষুব্ধ শ্রমিকদের উপর হামলা চালায়। হামলায় ট্রাক ড্রাইভার এনায়েত হোসেন (৪৫) গুরুতর আহত হয়। ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সকাল ৬ টায় ট্রাক দিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচাল বন্ধ করে দেয়। এসময় শিবচর থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ এসে দায়িত্বরত ৪ আনসার সদস্য মো. সোহেল, আবুল কালাম, মো. জুলহাস, মনির হোসেনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে থানায় নিয়ে আসে ও আহত শ্রমিক এনায়েত হোসেন (৪৫) শিবচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আহত ড্রাইভার এনায়েত হোসেন বলেন, আনসার ও বিআইডব্লিউটিসির স্টাফদের চাঁদাবাজির মাধ্যমে সিরিয়াল ভাঙ্গার প্রতিবাদ করায় ও চাঁদা না দেয়ায় ওরা আমাকে মারধর করে ৩ হাজার সাতশ টাকা ও একটি মোবাইল সেট নিয়ে গেছে।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে ৪ আনসার ও আহত ড্রাইভারকে থানায় আনা হয়েছিল। দুপুরে দু’পক্ষের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মিমাংসা হয়ে গেছে।
Read More ... »
Widget By Devils Workshop
 

আজকের চাঁদ

CURRENT MOON

© 2009-2010 shibcharsangbad | Design by: Md. Abul Hossain Miah

^ উপরে আসুন