(২২ জুন, ২০১০) :: শিবচরের শীর্ষ চরমপন্থী সর্বহারা পার্টির আঞ্চলিক নেতা মনির মোল্লাসহ ৩ চরমপন্থীকে আজ ভোররাত (৪টায়) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার শিবচর থানার ওসি আ. জলিলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দুর্ধর্ষ মনির মোল্লাকে ভোররাতে ঢাকার রামপুরা থেকে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি মতে অপর দুই চরমপন্থী পলাশ মাদবর ও দেলোয়ার সিকদারকে ঢাকা থেকেই গ্রেফতার করে। এরপর ওই ৩ চরমপন্থীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিবচরের চরমপন্থী অধ্যুষিত নিলখির বাগমারা থেকে ৩টি বিদেশি বন্দুক, ২টি কাটা বন্দুক ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত মনির মোল্লার বিরুদ্ধে ২০০১ সালে পুলিশকে হত্যা করে ফাঁড়ি লুটসহ অন্তত ৭টি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন থানায় ধর্ষণ,ডাকাতিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। অপর দু’জনের বিরুদ্ধেও হত্যাসহ একাধিক মামলা রযেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিপুল অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধানে ব্যাপক অভিযান চালানো হবে পুলিশ জানায়।
Showing posts with label চরমপন্থী. Show all posts
Showing posts with label চরমপন্থী. Show all posts
শিবচরের শীর্ষ চরমপন্থী মনির মোল্লাসহ ৩ চরমপন্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ : ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
নিলখী থেকে ৭টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবচরের চরমপন্থী অধ্যুষিত নিলখীতে অভিযান চালিয়ে ৭টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গতকাল (মঙ্গলবার) গভীর রাতে চরমপন্থী মনির মোল্লা গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড দেলোয়ার হাওলাদারের নেতৃত্বে ৮/১০ জনের স্বসস্ত্র চরমপন্থী পশ্চিম নিলখীতে নাশকতার উদ্দেশ্যে বৈঠকে বসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ খবর জানতে পেরে শিবচর থানার এসআই শেখ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশের একটি বৃহৎ দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চরমপন্থীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে ওই এলাকার জাহাঙ্গীর বেপারির বাড়ির পাশের খড়ের গাদার নিচ থেকে ৭টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে। চরমপন্থীদলের সদস্যরা নাশকতামূলক কর্মকান্ডের জন্য এ এলাকায় গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ককটেলগুলো শিবচর থানার সামনে বালু ভর্তি বালতিতে রাখা হয়েছে।
এসআই শেখ আবদুল্লাহ জানান, চরমপন্থীরা কোন নাশকতার জন্য বৈঠকে মিলিত হয়েছিল।
পাবনা ও সিরাজগঞ্জের ৮ চরমপন্থী ও ২ ডাকাত সর্দার শিবচরে গ্রেফতার
আজ শনিবার দুপুরে শিবচরের চান্দেরচর বাজারে মুসুরির ডাল ফসল চুরির সময় হাতেনাতে আটক এক চোরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পাবনা ও সিরাজগঞ্জের ৮ চরমপন্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়াও পৃথক এক অভিযানে পুলিশ দুর্ধর্ষ দুই ডাকাত সর্দারকে আটক করেছে।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল জানান, আজ চান্দেরচর বাজারে একটি ভ্যানের মুসুরির ডাল চুরির সময় বারেক মিয়া (৫২) নামের এক চোরকে হাতেনাতে আটক করে জনতা। বারেককে পুলিশে সোপর্দ করলে তার স্বীকারোক্তি মতে শিবচর থানার ওসি ও এসআই মো. আলমগীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কাওড়াকান্দি ঘাটের একটি বোর্ডিং থেকে মিঠুন সরদার (২২), হারুন সরদার (৩৮), আলম মণ্ডল (৩২), বাবু মোল্যা (২৮), সুরুজ ইসলাম (২৮), ফজলে খান (৪৬) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও কলকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের ৬ জনের বাড়ি পাবনা জেলায় এবং বাকি দুজন সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহের। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে ভ্যানচালক ও কুলির বেশে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা সংঘঠিত করত। পুলিশ ধারণা করছে গ্রেফতারকৃতরা চরমপন্থী দলের সদস্য হওয়ায় পুলিশি অ্যাকশনে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
এছাড়াও শিবচর থানা পুলিশের দুটি দল উপজেলার ভদ্রাসন থেকে এক ডজন ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার নূর মোহাম্মদ খাঁ (৪৫) ও দত্তপাড়া থেকে হাফ ডজন ডাকাতি মামলার আসামি হাকিম খাঁকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে।
শিবচরে ফেরিওয়ালা বেশে ঘুরছে চরমপন্থি : ২ নারী সহযোগীসহ গ্রেফতার ৬
শিবচর উপজেলায় ফেরিওয়ালা বেশে চরমপন্থি বিস্তার লাভ করেছে বলে জানা যায়।
আজ বুধবার ভোররাতে ২ নারী সহযোগীসহ জনযুদ্ধ এমএল বাহিনীর ৬ সক্রিয় চরমপন্থিকে গ্রেফতার করেছে শিবচর থানা পুলিশ। অভিযোগে প্রকাশ, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দলীয় ক্যাডাররা পরিচয় গোপন রেখে ছদ্মনামে শিবচর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফেরিওয়ালা ও ভ্যানচালক সেজে বিচরণ করছে।
পুলিশ জানায়, কুষ্টিয়া থেকে আসা কালু মণ্ডল ও মনির হোসেন শিবচর থানায় গিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর থেকে পালিয়ে আসা হিসাব আলী ও সাহাবুল শিবচরে আত্মগোপন করেছে বলে পুলিশকে জানায়। তাদের দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে আজ বুধবার ভোর রাতে এসআই আবদুল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কুতুবপুর হুজ্জুত আলী বেপারি কান্দি এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে কুষ্টিয়ার চরমপন্থি সংগঠন (জনযুদ্ধ) ক্যাডার হিসাব আলী (৩০) ও তার স্ত্রী সুমাইয়া (২২) এবং শাহাবুল মণ্ডল (২৮) ও তার স্ত্রী হাসিনা (২৫)কে গ্রেফতার শিবচর থানায় নিয়ে আসে। পরে আটককৃতদের ভাষ্য মতে থানায় অভিযোগকারী কালু মণ্ডল ও মনিরুল ইসলামও চরমপন্থি নেতা বলে পুলিশ ধারণা করে।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কুষ্টিয়ার মিরপুর ও মেহেরপুরের গাংনী থানায় ফোন করে তাদের সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানেন ওরা সকলেই নিষিদ্ধ ঘোষিত জনযুদ্ধ দলের স্থানীয় ক্যাডার ও সন্ত্রাসী।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল জানান, গ্রেফতারকৃত কালু মণ্ডল কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার ১১নং তালিকাভুক্ত চরমপন্থি দরেলর ক্যাডার এবং শাহাবুল ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। এছাড়া অন্যান্যরা একাধিক মামলার পলাতক আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনের ৮টি সিম, ৪টি মোবাইল ফোনসেট, কয়েকটি আইডি কার্ড ও পাউডার জাতীয় দ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কুষ্টিয়া থানায় হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত হাসিনা ও সুমাইয়া বলেন, আমাদের মধ্যে কালু মণ্ডল জনযুদ্ধের সক্রিয় নেতা। এক সাথে ৩ হত্যাসহ অসংখ্য হত্যা ও ঘটিয়েছে। ওই আমাদের এই লাইনে আনছে। ওর ভয়ে আমরা এলাকা ছাড়ছিলাম। শিবচর এলাকায় কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরের আরও অনেক লোক আছে। তারা মাঝে মধ্যেই আমাদের বাসায় আসত ওদের সঙ্গে কথা বলতে।
Subscribe to:
Posts (Atom)



