সাইট উন্নয়নে আপনাদের লেখা ও পরামর্শ চাচ্ছি-সম্পাদক

পাঁচ্চরে নৈশপ্রহরীকে কুপিয়ে জখম : গ্রেফতার ১

(৮ জুলাই, ২০১০) :: উপজেলার পাঁচ্চর বাজারের নৈশপ্রহরী মো. রাজন খান (৪৫) কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করেছে কতিপয় সন্ত্রাসীরা। ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় এলাকাবাসী একজনকে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। 
একাধিক সূত্র জানায়, গতকাল (বুধবার) রাতে শিবচর থানার এসআই আনোয়ার হোসেন পাঁচ্চরে চোরাই মটরসাইকেল ও এক চোরের সন্ধানে গেলে নৈশপ্রহরী রাজন খান পুলিশকে সহযোগিতা করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) মধ্যরাতে রাতে রাজন খান পাঁচ্চর বাজারে পাহারা দেয়ার সময় সাত-আট জন সন্ত্রাসী তার উপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে নৈশপ্রহরীকে এলোপাতারিভাবে কুপিয়ে রাস্তার পাশে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। আহতকে আশংকাজনক অবস্থায় প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, বুধবার রাতে চোরাই মটরসাইকেল ও চোরের সন্ধানে গেলে প্রহরী রাজন আমাদের সহযোগিতা করেছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়েই রিকন,মাহাবুবসহ সন্ত্রাসীরা রাজনের উপর হামলা চালায়। 

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মাহাবুব খালাসী (২৫) কে গ্রেফতার করেছি। বাকি অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছি। এ ব্যাপারে শিবচর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Read More ... »

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : শিবচরের পদ্মায় ৬টি মাছ ধরার অবৈধ বাধ উচ্ছেদ : লক্ষাধিক টাকার জালে আগুন

(৬ জুলাই, ২০১০):: আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শিবচরের পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ৬টি নদীজোড়া আড়াআড়ি অবৈধ মাছ ধরার বাধ উচ্ছেদ ও লক্ষাধিক টাকার ছালা, বেড়া ও কারেন্ট জাল পুড়িয়ে দিয়েছে। 
সূত্র জানায়, সকালে মাদারীপুরের ম্যাজিস্ট্রেট আ. রউফ তালুকদার, মৎস কর্মকর্তা নাজমুদ হুদা ও পুলিশের এসআই শেখ আবদুল্লাহের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শিবচরের কাওড়াকান্দি ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে অভিযান চালায়। এসময় ফেরিঘাট সংলগ্ন পদ্মানদীর ওপাড় এলাকার ৬টি অবৈধ বাধের কয়েক শ’ বাঁশ, জাল ও মাছ ধরার ফাঁদ তুলে কেটে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। তাছাড়া নদীতে অভিযান চালিয়ে জেলেদের কাছ থেকে অবৈধ জাল জব্দ করে সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুদ হুদা বলেন, ৬টি অবৈধ বাধ উচ্ছেদ করা হয়েছে। সকল বাধ উচ্ছেদের জন্য নিয়মিতভাবে অভিযান চালানো জরুরি। আগামী সপ্তাহে পদ্মায় আবারো অভিযানের পরিকল্পনা রয়েছে।
Read More ... »

বজ্রপাতে বিকল : শিবচর টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ৭ দিনেও চালু হয়নি

(৬ জুলাই, ২০১০) :: গত মঙ্গলবার (২৯ জুন) বজ্রপাতে শিবচরের বিটিসিএল টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি গত ৭দিনেও চালু হয়নি। ফলে টেলিফোন ব্যবহারকারী প্রায় ৩৬০ জন গ্রাহক চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ব্যাংক, অফিসগুলোর জরুরি সেবা কার্যক্রমও চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে।
বিটিসিএল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের বজ্রপাতের ঘটনায় শিবচর-মাদারীপুর এক্সচেঞ্জের সংযোগ লিংক, শিবচর এক্সচেঞ্জের এক্সচেঞ্জ কার্ডসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পুড়ে বিকল হয়ে যায়। এরপর থেকেই এক্সচেঞ্জটির ৩৬০টি টেলিফোন সংযোগ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে উপজেলার জরুরি প্রশাসনিক বার্তা প্রেরণ ও গ্রহণ কার্যক্রমসহ ব্যাংকিং লেনদেনেও মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে মানুষকে। বিকল্প উপায়ে এ সকল জরুরি কার্যক্রম চালাতে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মাদারীপুর বিটিসিএল-এর বিভাগীয় প্রকৌশলী আ. ওহাব বলেন, দেশের সবচেয়ে দক্ষ প্রকৌশলীদের দিয়ে বিকল লিংক, এক্সচেঞ্জ কার্ড পরিবর্তন করেও এক্সচেঞ্জটি চালু করা যায়নি। টেলিফোন বোর্ডের মাধ্যমে শীঘ্রই চীনের জেডটিই কোম্পানির প্রকৌশলীরা এসে সফটওয়্যারটি লোড করলেই এক্সচেঞ্জটি চালু হবে।
Read More ... »

যাত্রীছাউনি নেই : কাওড়াকান্দি-মাওয়া ঘাটে যাত্রী দুর্ভোগ চরমে

(৩ জুলাই, ২০১০) :: 'ম্যালা দিন ধইরা অসুখে পড়ছি। ভালা ডাক্তার দেহানোর লাইগা নাতি সবুজের লগে ঢাকা রওনা হইছি। বাস না পাইয়া ভাইঙ্গা ভাইঙ্গা রওনা হই। রাইতে ঘাটে আইছি। আইজকো আর লঞ্চ যাইবো না। আকাশে ম্যালা মেঘ। নাতি লইয়া সারা রাইত রাস্তার পারই বইসা থাকতে হইবো। বৃষ্টি নামলে কই গিয়া দাঁড়ামু জানি না।' কথাগুলো বললেন পটুয়াখালী থেকে আসা অশীতিপর হালিম মিয়া।
এমন ঘটনা নতুন নয়। ধর্মঘট, পানি বৃদ্ধি, ঝড়-বৃষ্টি, কুয়াশাসহ সব ধরনের দুর্যোগে শিবচরের কাওড়াকান্দি-মাওয়া রুটের নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘাটে যাত্রী ছাউনি না থাকায় দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার শত শত যানবাহনের শিশু, বৃদ্ধ, নারীসহ হাজার হাজার যাত্রীকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কুয়াকাটার রোজি, ঝালকাঠির রহিমা, বাগেরহাটের আবুল কালাম, মোরেলগঞ্জের রাজিয়া আক্তারসহ আরো অনেক যাত্রী জানান, ঘাটে কোনো যাত্রী ছাউনি না থাকায় একটানা আট ঘণ্টা বাসের মধ্যে বসে ছিলেন। রাতে ঘাট এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। আশ্রয় নেওয়ার জায়গা পাওয়া যায় না। টয়লেটেরও ব্যবস্থা নেই। নিরুপায় হয়ে রাতের অন্ধকারে রাস্তার পাশে টয়লেটের কাজ সেরেছেন তাঁরা। 
দোকানদার কালাম মিয়া বলেন, 'রাত হলে তো আমরা দোকান বন্ধ করে রাখি। ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। কর্তৃপক্ষের অবহেলার জন্য যাত্রীদের এই দুর্ভোগ।' লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, কাওরাকান্দি ঘাট দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার জনগণ যাতায়াত করে। ঘাটে কোনো ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। 
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. কামাল পাশা বলেন, কাওড়াকান্দি ঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর একটি যাত্রী ছাউনি আছে। সেটা এখন পুলিশের দখলে। ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের তো একটু কষ্ট হচ্ছেই।
Read More ... »

মহাসড়ক অবরোধ : গাড়ি ভাংচুর : শিবচরে বাস চাপায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

(২ জুলাই, ২০১০) ::  আজ (শুক্রবার) দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের শিবচরে যাত্রীবাহী বাস চাপায় সবুজ বাংলা (টেম্পু) যাত্রী ফরিদপুর অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. মান্নান হাওলাদার (৪৫) নিহত হয়েছে। এঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এক ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে ও ঘাতক বাসটিতে ভাংচুর চালায়।
দত্তপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার বলেন, দুপুর সাড়ে বার টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দত্তপাড়া ইউনিয়নের সূর্যনগর বাসস্ট্যান্ডে লোকাল টেম্পু সবুজ বাংলা পরিবহন মহাসড়কেই দিক পরিবর্তন করতে গেলে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী সুগন্ধা পরিবহন (পাবনা-ব-১৯৪০)  পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে টেম্পুটি দুমড়ে মুচড়ে পাশের একটি বেবিটেম্পুকে নিয়ে স্ট্যান্ডের একটি দোকানের উপর পড়ে। সংঘর্ষে সবুজ বাংলার যাত্রী অগ্রণী ব্যাংক, ফরিদপুর শাখার সিনিয়র অফিসার মান্নান হাওলাদার (৪৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এসময় অপর অজ্ঞাতনামা অপর এক যাত্রী গুরুতর আহত হয়। এঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী বেলা সাড়ে বারটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে ও ঘাতক গাড়িটিকে ভাংচুর করে।  পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
Read More ... »

শিবচরের পাঁচ্চরে কার্বাইড মিশ্রিত আম ধ্বংস



(৩০ জুন, ২০১০) :: আজ (বুধবার) দুপুরে শিবচরের পাঁচ্চর বাজারের বিভিন্ন ফলের দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৬ মণ বিষাক্ত কার্বাইড মিশ্রিত আম জব্দ করে সেগুলো ধ্বংস করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিষাক্ত কার্বাইড মিশ্রিত আম বিক্রির অপরাধে পাঁচ ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করিয়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সূত্র জানায়, দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পাঁচ্চর বাজারের বিভিন্ন ফলের দোকানে অভিযান চালায়।
Read More ... »

বজ্রপাতে পিতা ও কন্যার মৃত্যু : ৭ ছাত্রী আহত

(২৯ জুন, ২০১০) :: আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে শিবচরের উমেদপুরে বজ্রপাতে পিতা ও কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়াও উমেদপুর বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ ছাত্রী আহত হয়েছে। আহত ছাত্রীদের স্থানীয় উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, ৩ টার দিক সাবেক কমলাপুর গ্রামে প্রথমে হাশেম হাওলাদারের বাড়ির নারকেল গাছে একটি বজ্রপাত পড়ে ঘরের টিনের চালে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই গৃহকর্তা হাশেম হাওলাদার (৭৫) ও তার মেয়ে ৩ সন্তানের জননী রাহেলা বেগম (৪০) নিহত হয়। অপরদিকে একই সময় উমেদপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে একটি বজ্রপাত ঘটলে দশম শ্রেণীর ছাত্রী সোনিয়া আক্তার, মৌসুমি আক্তার, নুপুর, এমিলি, তানজিলাসহ ৭ ছাত্রী আহত হয়। ছাত্রীদের আহতাবস্থায় স্থানীয় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
Read More ... »

কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটে ৮৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার


(২৯ জুন,২০১০):: ভারতীয় সীমান্ত হয়ে অভিনব কায়দায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য। আজ (মঙ্গলবার) সকালে মাইক্রোবাসের যাত্রী আসনের পাটাতনের নীচে বিশেষ বক্স তৈরি করে অভিনব কায়দায় ফেন্সিডিল পাচারকালে ৮৭০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে কাওড়াকান্দি ফেরিঘাট থেকে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। 
পাঁচ্চর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট আসাদুল ইসলাম জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঁচ্চর হাইওয়ে পুলিশের একটি দল কাওড়াকান্দি ঘাটে যশোর থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসে (ঢাকা মেট্রো চ-৫৩-০৭৯১) অভিযান চালায়। এসময় চালক ও যাত্রীর আচরণে সন্দেহ হলে যাত্রী বসার আসনের পাটাতনের নীচে বিশেষ কায়দায় তৈরি বক্স থেকে ৮৭০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এসময় ফেনসিডিল ব্যবসায়ী যশোরের আমড়াখালি গ্রামের আকবর আলীর ছেলে হারুনুর রশিদ (৪০) ও মাইক্রোবাস চালক নোয়াখালীর মহেশপুর গ্রামের মোহম্মদউল্লাহর ছেলে বেল্লাল হোসেন (৪০) কে গ্রেফতার ও মাইক্রোবাসটি আটক করা হয়।
Read More ... »

সংবাদ সম্মেলনে প্লট বরাদ্দসহ কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা : বিভাগীয় শহরের বাইরে দেশের প্রথম আবাসিক প্রকল্প শিবচরে




(২৯ জুন, ২০১০) :: জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে বিভাগীয় শহরগুলোর পর এ প্রথম কোন উপজেলা শহরে স্বল্প ও মাধ্যম আয়ের নাগরিকদের জন্য হাউজিং প্রকল্প আবাসিক প্লট নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকা থেকে মাত্র ৪৮ কিলোমিটার দূরত্বে এই আবাসিক প্রকল্পটি স্যাটেলাইট শহরের আদলে গড়ে তোলা হবে। 

বিদ্যুৎ,পানি,ড্রেনেজসহ সকল নাগরিক সুবিধা সম্পন্ন এ আবাসন প্রকল্পটির প্লট বরাদ্দের জন্য এক সংবাদ সম্মেলনে শিবচর পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) আ. কাদের খান মিলু আবাসন প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। 
শিবচর পৌরসভা মিলনায়তনে আজ (মঙ্গলবার) সকালে সংবাদ সম্মেলনে শিবচর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র জানান, দেশের স্বল্প ও মধ্যম আয়ের নাগরিকদের জন্য পৌর এলাকার নলগোড়া ও ঠেংগামারা মৌজায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় হাউজিং প্রকল্প আবাসিক প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে। এই প্রথম কোন উপজেলা শহরে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের নাগরিকদের জন্য হাউজিং প্রকল্প আবাসিক প্লট নির্মাণ করা হয়। মোট ১৯ দশমিক ৬২ একর জমির উপর এ প্রকল্পে ৫ কাঠার ১০৯টি প্লট এবং ৩ কাঠার ৪৯টি প্লট থাকবে। এর মধ্যে বাণিজ্যিক প্লট ৭টি, একটি মসজিদ, একটি খেলার মাঠ ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। ৫ কাঠা প্লটের জন্য ১ লাখ এবং ৩ কাঠা প্লটের জন্য ৬০ হাজার টাকা জামানত প্রয়োজন হবে। প্রতি কাঠা জমির মূল্য ধরা হয়ে ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। 
আবাসিক প্লট বিতরণের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্লট পেতে আগ্রহীরা আগামী ২৭ জুলাই ২০১০ এর মধ্যে আবেদেন ফরম ক্রয় করতে পারবেন এবং ২৯ জুলাই আবেদন জমা দেয়ার শেষ তারিখ বলে তিনি জানান। ইতোমধ্যেই মাটি ভরাটের লক্ষ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্ব শাসিত সংস্থার চাকুরিজীবী, বেসরকারি চাকুরিজীবী এবং বিদেশে কর্মরত ওয়েজ আর্নার, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, মুক্তিযোদ্ধা, সাহিত্যিক, ক্রীড়াব্যাক্তিত্ব, শিল্পী ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মধ্যম আয়ের লোকরা এ প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ পাবেন বলে তিনি (মেয়র) জানান। আবেদনপত্র ও ফরম গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ঢাকার মিরপুর-১ ও ২ ডিভিশন কার্যালয় ছাড়াও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সকল কার্যালয়ে পাওয়া যাবে। ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ৩শ’ টাকা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিবচর পৌরসভার সাবেক প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন খান, পৌরসভার সচিব মো. মোকলেসুর রহমান তালুকদার ও পৌরসভার কাউন্সিলরগণ। 
এ ব্যাপারে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য,জাতীয় সংসদের হুইপ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য নূর-ই-আলম চৌধূরী লিটন বলেন, গত শনিবার আমি জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের বক্তবে ঢাকা শহরে আবাসন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে শিবচরসহ ঢাকার চারপাশে বিভিন্ন উপজেলায় স্যাটেলাইট শহর নির্মাণ করার দাবী জানিয়েছি। এর অংশ হিসেবে শিবচরে আবাসন হাউজিং প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছি। পর্যায়ক্রমে শিবচরকে স্যাটেলাইট শহর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। 
Read More ... »

বীজাগার ভেঙে রড বিক্রি করে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান



(২৬ জুন, ২০১০) :: সড়ক ও বাজার সম্প্রসারণের নামে শিবচরের চান্দেরচর বাজারে একটি পরিত্যক্ত সরকারি বীজাগার ভেঙে রড বিক্রি করে দিয়েছে উমেদপুরের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। বৃহস্পতিবার সারা রাত ধরে তারা এ কাণ্ড ঘটায়। 

শিবচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় উমেদপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দাদন হাওলাদার তার ৭০/৮০ জন সমর্থক নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বীজাগারটি ভাঙা শুরু করে। ভবনটি ভেঙে রডগুলো সরিয়ে ফেলে তারা। উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও পুলিশ খবর পেয়ে ভোরে সেখানে গেলে দাদন হাওলাদারের লোকেরা সরে পড়ে। 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান সাংবাদিকদের বলেন, 'একটি মহল ওই জায়গায় মার্কেট করতে চায় বলে শুনেছি। তারাই ভবনটি ভেঙে রড নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।' 
পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মনির হোসেন বলেন, 'ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পেরেছি, উমেদপুরের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান দাদন হাওলাদার ও তার লোকজন কাজটি করেছে। ভবনটি থেকে সরিয়ে নেওয়া প্রায় ৮০০ কেজি রড একটি দোকানে পাওয়া গেছে।' 
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল বলেন, 'চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত দুঃখজনক। কৃষি কার্যালয় মামলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এদিকে দাদন হাওলাদার কালের কণ্ঠকে বলেন, 'সড়ক ও বাজার সমপ্রসারণের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ ও নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই পরিত্যক্ত ভবনটি ভাঙা হয়েছে। ভবনটি কার_তা জানেন না তিনি। ভবনের রডগুলো বিক্রি করে শ্রমিকদের খরচ মেটানো হয়েছে বলে জানান তিনি।'
Read More ... »

ওয়েট স্কেল না থাকায় মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে মেয়াদোত্তীর্ণ ফেরি দিয়ে ওভারলোড শত শত ট্রাক পারাপার : বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কা



(২৪ জুন, ২০১০) :: ওজন পরিমাপক যন্ত্র না থাকার সুযোগে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত ওভারলোড ট্রাক নিয়ে লক্কর ঝক্কর ফেরিগুলো চরম ঝূঁকি নিয়ে প্রতিদিন মাওয়া-কাওড়াকান্দির উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। ফলে যেকোন সময় বড় ধরনের প্রাণহানির শংকা করছেন খোদ সংশ্লিষ্টরা। 

বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, যমুনাসেতু ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ওজন পরিমাপক (ওয়েট স্কেল) থাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকসহ ভারী যানবাহনগুলো কাওড়াকান্দি-মাওয়া রুট বেছে নিয়েছে। পণ্যবাহী প্রায় যানবাহনগুলোই ২০ থেকে ৩০ টন পর্যন্ত মালামাল নিয়ে ফেরিগুলোতে উঠে দীর্ঘ পদ্মা পারাপার হয়। সূত্র আরো জানায়, আন্তজার্তিক মেরিনটাইপ সংস্থার (আইএমও) কোড অনুযায়ী বাংলাদেশে চলাচলরত ফেরিগুলো ৩০ বছর চলার কথা থাকলেও মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটের ফেরিগুলো অতি পুরাতন ও মেয়াদোত্তীর্ণ। এরমধ্যে ১৯৬৩ সালে মিডিয়াম টাইপ ফেরি যশোহর; ফ্লাট ফেরিগুলোর মধ্যে ১৯৩৮ সালে থোবাল ও যমুনা; ১৯২৫ সালে রানীক্ষেত, রায়পুরা, রানীগঞ্চ ও টাপলো; ১৯৭৩ সালে ফেরি কেটাইপ কুমারী, কামিনী ও ১৯৬৩ সালে ভিভিআইপি ফেরি কর্ণফুলী নির্মিত হয়েছিল। ফলে অতিরিক্ত বোঝাইয়ের কারণে প্রায়শই ফেরিগুলোর ইঞ্জিন ও পল্টুনের ডেক প্লেট, র‌্যাম্প, ফেরির ঢালা ও পাটাতন, র‌্যাম্পের কব্জাসহ গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে ফেরিগুলো বিকল হয়ে যায়। 
কাঠবোঝাই ট্রাক ড্রাইভার ইদ্রিস মিয়া বলেন, যমুনায় ও আরিচা রুটে ওজন মাপার মেশিন থাকায় আর এই ঘাটে কোন বাঁধা না থাকায় আমরা ভারী ট্রাক নিয়া সবসময়ই মাওয়া দিয়াই পার হই। 
বাংলাদেশ ইনল্যান্ড মাস্টার ওয়েলফেয়ার এসোশিয়েশনের (ফেরি চালকদের সংগঠন) সভাপতি ইদ্রিস হোসেন সিরাজী বলেন, এ রুটের পুরাতন ফেরিগুলো চরম ঝূঁকি নিয়ে ২৫-৩০ টনের ট্রাকগুলো নিয়েই সবসময় ১৭ কিলোমিটার দূরত্বের দীর্ঘ পদ্মা পার হই। 
বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক আশিকুজ্জামান বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উভয় পাড়ে ওজন পরিমাপক যন্ত্র না থাকার সুযোগে ২৫-৩০ টনের ট্রাকগুলো নিয়ে সবসময় পারাপার হওয়ায় ফেরিগুলোও প্রতিনিয়ত মেরামত করে পরিচালনা করতে হচ্ছে। ওজন পরিমাপক যন্ত্রের সাথে সাথে যানবাহন সংশ্লিষ্টদের সচেতন হতে হবে।
Read More ... »

কাওড়াকান্দি ফেরির রোলিংয়ে চাপা পড়ে শ্রমিক নিহত


(২২ জুন, ২০১০) :: শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটে আজ (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ৮টায় একটি রো রো ফেরির রোলিংয়ে চাপা পড়ে এক কভার ভ্যানের হেলপার নিহত হয়েছে। 

শিবচরের পাঁচ্চর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট আসাদুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাওয়া থেকে একটি রো রো ফেরি কাওড়াকান্দি ঘাটে ভিড়লে একটি কভার ভ্যান (চট্ট-ট-১১২৪২৫) আনলোড করার সময় কভার ভ্যানের ছাদে ঘুমিয়ে থাকা কভার ভ্যানের হেলপার সাদ্দাম হোসেন ফেরির রোলিংয়ের সাথে চাপা খেয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়িটি আটক করে।
Read More ... »

শিবচরের শীর্ষ চরমপন্থী মনির মোল্লাসহ ৩ চরমপন্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ : ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার



(২২ জুন, ২০১০) :: শিবচরের শীর্ষ চরমপন্থী সর্বহারা পার্টির আঞ্চলিক নেতা মনির মোল্লাসহ ৩ চরমপন্থীকে আজ ভোররাত (৪টায়) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার শিবচর থানার ওসি আ. জলিলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দুর্ধর্ষ মনির মোল্লাকে ভোররাতে ঢাকার রামপুরা থেকে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি মতে অপর দুই চরমপন্থী পলাশ মাদবর ও দেলোয়ার সিকদারকে ঢাকা থেকেই গ্রেফতার করে। এরপর ওই ৩ চরমপন্থীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিবচরের চরমপন্থী অধ্যুষিত নিলখির বাগমারা থেকে ৩টি বিদেশি বন্দুক, ২টি কাটা বন্দুক ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত মনির মোল্লার বিরুদ্ধে ২০০১ সালে পুলিশকে হত্যা করে ফাঁড়ি লুটসহ অন্তত ৭টি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন থানায় ধর্ষণ,ডাকাতিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। অপর দু’জনের বিরুদ্ধেও হত্যাসহ একাধিক মামলা রযেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিপুল অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধানে ব্যাপক অভিযান চালানো হবে পুলিশ জানায়।
Read More ... »

প্রকাশ্যে মাছ নিধন উৎসব : বিল পদ্মায় নদীজোড়া অবৈধ বাঁধের ছড়াছড়ি



(২১ জুন, ২০১০) :: শিবচরের বিল পদ্মায় অন্তত ৬০টি নদীজোড়া আড়াআড়ি বাধ দিয়ে নির্বিচারে ডিমওয়ালা ও পোনামাছসহ সকল প্রজাতির মাছ নিধন শুরু হয়েছে। প্রকাশ্যে অবৈধভাবে মাছ নিধনের এ উৎসব চললেও যেন দেখার কেউ নেই। বিষয়টির সতত্যা স্বীকার করে বিস্ময়করভাবে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দায়ভার চাপালেন জেলা বা উপজেলা প্রশাসনের উপর। 

একাধিক সূত্র জানায়, শিবচর ও মাদারীপুরের দক্ষিণ কোণে ও শিবচর পৌর এলাকায় বহমান ‘বিল পদ্মা’ বিলে স্রোত কম থাকায় নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে আড়িয়ালখাঁ নদ থেকে প্রতিবছর বর্ষায় অসংখ্য মা মাছ ডিম ছাড়তে আসে। এ সুযোগে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বর্ষার শুরুতেই অন্তত ৬০টি নদী জোড়া আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে বিল পদ্মায় (ক ও খ বিলে) মাছ নিধন শুরু করেছে। এরমধ্যে বিল পদ্মা-খ-তেই অর্ধ শতাধিক ছোট-বড় বাঁধ রয়েছে। এক একটি বাঁধে কয়েক বাঁশ গেড়ে মশারি,ছালা বা কারেন্ট জাল দিয়ে ঘেরা। নিচে মাছ আটকানোর ফাঁদ দোয়াইর ও বরশি। বাঁধগুলোর কোনটি বিলের মাঝামাঝি আবার কোনটি সম্পূর্ণ বিলজুড়ে রয়েছে। ফলে চিংড়ি, রুই, কাতলা, আইড়, পাঙ্গাস বোয়ালের মা মাছ ও পোনাসহ সকল মাছ আটকা পড়ছে। বাঁধগুলোতে ব্যবহৃত হচ্ছে ছালা জাল। অথচ সাড়ে ৪ সেন্টিমিটার ফাঁসযুক্ত জালের নিচে জাল ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাছাড়া প্রতিবন্ধকতামূলক বাঁধ আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। 
সেখপুরের ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘এই বিলে সাধারণ মানুষ কেউ মাছ ধরতে পারে না। যাগো টাহা আছে তারা বান দেয়।’ 
বাঁশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মৎস্য কার্যালয়ের লোকজন সবসময়ইতো আসা যাওয়া করে। তারা দেখেওতো কিছু বলে না। তাহলে আমাদের কি বলার আছে?’ 
বিল পদ্মা-খ-এর ইজারাদার জয়নাল সিপাহি বলেন, ‘প্রাকৃতিক মাছ এই সময় আড়িয়াল খাঁ থেকে বিলে উঠে তাই সব বাঁধই নদীর আধা আধি। মাছ নামার সময় অর্থাৎ আশ্বিন মাস থেকে নদীজোড়া বাঁধ দেয়া হয়। বৃটিশ আমল থেকেই এভাবে চলছে। প্রতি বাঁধ বাবদ জেলেরা আমাদের দেড়-দু’হাজার টাকা দেয়। এখন এই বাঁধ দিয়ে শুধু চিংড়ি মাছ ধরা হচ্ছে।’ 
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুল মামুন বলেন, ‘বিল পদ্মা ক ও খ বিল দু’টি প্রায় ৭ লাখ টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছে ইজারাদার। প্রতি বছরই ইজারা হার ১০ ভাগ বাড়ে। এই টাকা পুষিয়ে নিতেই ইজারাদাররা বাঁধসহ বিভিন্ন উপায়ে মাছ ধরে থাকে।’ 
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. এ.কে.এম আমিনুল বলেন, ‘চর দখলের মতো বিল পদ্মায়ও অবৈধ বাঁধ বসেছে। কিন্তু বাঁধ অপসারণের কাজ জেলা বা উপজেলা প্রশাসনের, মৎস্য দপ্তরের নয়। আমরা তাদের আগেও জানিয়েছি। আবারও জানাবো।’
Read More ... »

ধান-বাদামের পর পাট হারানোয় শিবচরের চরাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক শংকিত


(১৮ জুন, ২০১০) :: গত এক মাসে ৩ দফা পানি বৃদ্ধিতে ধান,বাদামের পর পাট হারানোয় শিবচরের পদ্মাবেষ্টিত জনবিচ্ছিন্ন হাজার হাজার কৃষকের মাঝে হাহাকার নেমে এসেছে। গত ৪/৫ দিনে পদ্মা ও সংযুক্ত নদ-নদীতে তৃতীয় দফায় পানি বেড়ে শেষ ভরসা হাজার হাজার বিঘার পাট নষ্ট হওয়ায় হতভাগ্য কৃষক ও কৃষক বধুদের মাঝে চরম হতাশা নেমে এসেছে। চরের কৃষিখাত সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত হওয়ায় শংকিত হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তারাও। সম্ভাব্য বিপর্যয় ঠেকাতে চরাঞ্চলে দ্রুত ভিত্তিতে খাদ্য সহযোগিতা, ঋণ মওকুফ ও আগামী মৌসুমে বীজ,সার ও ভর্তুকির দাবী করেছেন খোদ সংশ্লিষ্টরা। 

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ৪/৫ দিনে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে এ পর্যন্ত শিবচরের ৮ হাজার বিঘার পাট, ২৫শ’ বিঘার বাদাম ক্ষেত প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও গত মাসে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রথমে ঘূর্ণিঝড় লায়লার প্রভাবে পানি বেড়ে, পরে ঢলের পানি বেড়ে ৮ হাজার বিঘার বোরো ধান ৩১শ’ বিঘার বাদামসহ বিভিন্ন ফসল বিনষ্ট হয়েছিল। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা। উপজেলার ক্ষয়ক্ষতির প্রায় ৯০ ভাগই শুধুমাত্র জনবিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের ৪টি ইউনিয়ন চরজানাজাত, কাঁঠালবাড়ি, বন্দরখোলা ও মাদবরচর ইউনিয়নেই হয়েছে। এছাড়াও গত সপ্তাহে টর্নেডোতে চরাঞ্চলের প্রায় ৪শ’ ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছিল। 
চরাজানাজাতের রশিদ সরকারেরকান্দি কৃষক আবু বকর বলেন, ‘গত ১ মাসে প্রথম দুই বারে ধান-বাদাম সব গেছে বাকি কয়ডা পাট আছিলো তাও এবারের পানিতে গেলো। সুদে টাহা আইনা ফসল করছিলাম। হেগো টাহাই দিমু কইর থিকা । নিজেরাই খামু কি?’ 
চরজানাজাত ইউপি চেয়ারম্যান বজলু সরকার বলেন, ‘পাটই ছিলো চরের কৃষকের শেষ ভরসা। তাও গেলো। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তরা সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছে। কিন্তু কৃষকদের ধান-পাট-বাদাম সব নষ্ট হলেও কোন সাহায্য পেল না। ঋণের ও মহাজনের সুদের টাকার জন্য চরের ঘরে ঘরে ঝগরা-কলহ বাড়ছে। অসহায় কৃষকরা খুব যন্ত্রণায় পড়ছে।’ 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান বলেন, ‘তৃতীয় দফা পানিতে ক্ষয়ক্ষতি ১৫ কোটি টাকার অধিকাংশই চরাঞ্চলের। শুধুমাত্র কৃষির উপর নির্ভরশীল জনবিচ্ছিন্ন চরের মানুষের এত বড় ক্ষতি তাদের চলমান জীবনকেও চরমভাবে ব্যহত করবে। ঋণসহ বিভিন্ন সমস্যায় ওদের জীবনে নেমে আসতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়। আর এ সংকট ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে চরাঞ্চলে বিশেষ ভিজিএফ চালু করা উচিৎ। সাথে বর্ষার পরে চরের মানুষের জন্য বীজ, সার বিতরণ ও ঋণ মওকুফ করা উচিৎ।’
Read More ... »
Widget By Devils Workshop
 

আজকের চাঁদ

CURRENT MOON

© 2009-2010 shibcharsangbad | Design by: Md. Abul Hossain Miah

^ উপরে আসুন