সাইট উন্নয়নে আপনাদের লেখা ও পরামর্শ চাচ্ছি-সম্পাদক

শিবচরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে একজন টেঁটাবিদ্ধ : শিশু ও মহিলাসহ আহত কমপক্ষে ২০ জন

(১১ জুন ২০১০) আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের বড়দোয়ালি গ্রামে জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতা ও একটি প্রাচীর নির্মাণের জের ধরে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে ১জন টেঁটাবিদ্ধ হন। এছাড়া এলোপাতারি মারপিটে উভয় পক্ষের বৃদ্ধ, মহিলা, পুরুষ ও শিশুসহ কমপক্ষে ২০জন গুরুতর আহত হন। 
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৮টার সময় পাঁচ্চর ইউনিয়নের বড় দোয়ালি গ্রামের শিকদার বাড়িতে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ববিরোধ ও শুক্রবার সকালে বাড়ির উঠোনের উপর দিয়ে একটি প্রাচীর (ওয়াল) নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ও একই বাড়ির চাচা-ভাতিজাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নেয়। মারামারি থামাতে গিয়ে প্রতিবেশী শালিসরাও আহত হন।
সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্র ছ্যান, রামদা, টেঁটা, জুতি ও কাতরা, নিয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষকে হামলা চালায়। প্রতিবন্ধী (হাতকাটা) মমিন শিকদার (৭০) এবং তার স্ত্রী মজিদন নেছা (৫০), ও তার ছেলে রশিদ শিকদার (৩৫), লুৎফর শিকদারকে (৩২) কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। সংঘর্ষ চলাকালে মোবারক শিকদারের (৪০) ডান হাতের কব্জিতে টেঁটাবিদ্ধ হয়। এছাড়া বাচ্চু শিকদার (৩৪), মোঃ দবির শিকদার (৩৮), মোঃ সেলিম শিকদার (২৫) ও ভানু বিবি (৫০), হাবিব শিকদারের মা চন্দ্র বান বিবি (৫০), স্ত্রী ফেরদৌসি বেগম (৩৮) ছেলে ফয়সাল (১০) মোরছালিন (১২) ভাবী সাথী আক্তারকে (৩৫) প্রতিপক্ষরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও এলোপাতারি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। উভয় পক্ষের আহত ১২ জনকে বর্তমানে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জলিল বলেন, উভয় পক্ষ থেকে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
Read More ... »

পদ্মায় স্পীডবোট-ট্রলারের সংর্ঘষে নিহত-১ ॥ আহত-১৫

(১১ জুন ২০১০) শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দি-মাওয়া ফেরি ঘাটের কাঁঠালবাড়ি চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় স্পীডবোট ও মাছের ট্রলারের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও ১৫ জন অহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক। এদের শিবচর, ফরিদপুর ও ভাঙ্গা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কাওড়াকান্দি ঘাট, শিবচর থানা ও হাইওয়ে পুলিশ সার্জেন্ট আসাদুল ইসলাম সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় কাওরাকান্দি ফেরিঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী স্পীডবোট কাঁঠালবাড়ি চেয়ারম্যান বাড়ির ঘাট এলাকায় এলে মাওয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা একটি মাছের ট্রলারের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মাদবরেরচর ইউনিয়নের হাওলাদারকান্দি গ্রামের হাসেম ফকিরের ছেলে বাচ্চু ফকির (৩০) ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অপর ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক। আহতদের শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
Read More ... »

কাওড়াকান্দির পদ্মা নদী থেকে তরুণীর লাশ উদ্ধার

(১০ জুন ২০১০) আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের শিবচরের কাওড়াকান্দি ফেরিঘাট থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে তরুণীর পরিচয় জানা যায়নি।
সূত্র জানায়, বিকেলে কাওড়াকান্দি ৩নং ফেরিঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে এক তরুণীর লাশ ভেসে থাকতে দেখে লঞ্চ ও ট্রলার যাত্রী পুলিশে খবর দেয়। সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ শিবচর থানা পুলিশ এসে লাশটি (২০)উদ্ধার করে। দেখতে শ্যামবর্ণ মৃতদেহটির পরনে গোলাপী রঙের সেলোয়ার রয়েছে ও হাতে মেহেদি দেয়া।
উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনাকারী শিবচর থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানান, মেয়েটির দেহে কোন ক্ষত বা আঘাতের চিহ্ন নেই। ফেরি বা লঞ্চ থেকে পড়ে গিয়ে বা অন্য কোন কারণেও মেয়েটির মৃত্যু হতে পারে।
Read More ... »

পদ্মার চরাঞ্চলকে শীঘ্রই মূল ভূখন্ডের সাথে সংযুক্ত করা হবে।--নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন

(০৭ জুন ২০১০) শিবচরের পদ্মা নদীর জনবিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের ৪টি ইউনিয়নের মানুষের জীবন মান উন্নয়নে শীঘ্রই চরাঞ্চলের সাথে মূল ভূখন্ডকে সংযুক্ত করা হবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই একটি সড়ক নির্মাণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যে সড়কটি বিচ্ছিন্ন চরজানাজাত-কাঁঠালবাড়ি-মাদবরচর-বন্দরখোলা হয়ে সরাসরি মূল ভূখন্ডে মিশবে। আজ সোমবার দুপুরে শিবচরের চরজানাজাতে টর্নেডোতে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে যেয়ে সংসদ হুইপ ও নৌ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এসব কথা বলেন।
হুইপ আরো বলেন, শুধু যোগাযোগই নয় শিক্ষা,স্বাস্থ্যসহ সকল নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য কাজ শুরু হয়েছে। টর্নেডো ও এর আগে পানিতে প্লাবিত হয়ে ফসল ও ঘরবাড়ির যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ইতোমধ্যেই সাহায্য সহযোগিতা দেয়া শুরু হয়েছে। আরো দেয়া হবে।
ঝড়ে পিতা-পুত্রসহ ৩ নিহতদের পরিবারকে নগদ ১০ হাজার করে টাকা, ১০ কেজি চাল, সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত ৩৫টি পরিবারকে ১ বান করে টিন, ১ হাজার টাকা, ১০ কেজি চাল ও ক্ষতিগ্রস্থ সাড়ে ৩শ’ পরিবার প্রতি ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন খান, শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল জলিল প্রমুখ। 
Read More ... »

ঢাকার খিলগাওয়ের চাঞ্চল্যকর ফাতেমা বেগম পুড়িয়ে হত্যা মামলা ।। ঘাতক ওয়াদুদ মৃধাকে ৩ বছর পর শিবচর থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

(০৬ জুন ২০১০) ঢাকার খিলগাওয়ের চাঞ্চল্যকর ফাতেমা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার অন্যতম হোতা ওয়াদুদ মৃধাকে (৩০) আজ রোববার শিবচর থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের একটি দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল আজ রোববার বিকেলে উপজেলার উমেদপুরের চরকমলাপুর থেকে ওয়াদুদকে গ্রেফতার করে। ওয়াদুদ হত্যাকান্ডের সত্যতা স্বীকার করেছে বলে র‌্যাব জানায়। তাকে শিবচর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ওয়াদুদ শিবচরের উমেদপুরের শাহেদ মৃধার ছেলে। 
উল্লেখ্য ২০০৭ সালের এপ্রিলে ঢাকার খিলগাওয়ে এক মধ্যরাতে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয় দু’সন্তানের জননী ফাতেমা বেগমকে। সে ঘটনার পর থেকেই ফাতেমার ঘাতক স্বামী লিটন মোড়ল ও তার মামা ঘাতক ওয়াদুদ পলাতক ছিল।

Read More ... »

শিবচরে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নিয়ে সেমিনার

(০৬ জুন ২০১০) ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আর এ লক্ষ্য পূরণে প্রযুক্তির সহায়তার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। আজ রোববার শিবচর উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। 
সেমিনারে প্রধান অতিথি মাদারীপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল কবীর ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কাজ শুরু করে উপজেলা, জেলা হয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে যেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এতে তিনটি তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালার মাধ্যমে ৫৬টি কৌশলে বাস্তবায়নের ধারাগুলো বর্ণনা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, মাদারীপুর জেলা প্রশাসনে তেমন কোনো প্রযুক্তিগত সুবিধা আসেনি। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে সব প্রযুক্তি আমরা পেয়ে যাব। তবে এর আগে আমাদের যা আছে, তা দিয়েই আমরা কাজ শুরু করেছি। সেমিনারে শিবচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ এনামুল কবীর, উপজেলার চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তালুকদার, উপজেলার বিভিন্ন পেশাজীবী, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ অনেকে।
Read More ... »

শিবচরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, মহিলাসহ আহত ১০

(৬ জুন ২০১০) শিবচর উপজেলায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে মহিলাসহ ১০ জন আহত হয়েছে। আজ রোববার সকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শামসুদ্দিন মৌলভীকান্দি গ্রামের কালাম শরীফের সাথে সিরাজ মাদবরের দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে সকালে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় উভয় গ্রুপের ১০ জন গুরুতর আহত হয়। আহতরা হলো- কালাম ফরিদ (৩৫), ছরোয়ার শরীফ (৪০), শাহীন (২৫), হাজেরা বেগম (৮০), ফাহিমা (২৭), গুলজান (২৫), হালিম (৭০), রফিক (১৭), রহিমা (২৮) এবং মাজেদা (৪৫)। আহতদের প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় সিরাজ মাদবরের লোকজন কালাম শরীফের ৪০টি ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলে। এ ব্যাপারে শিবচর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
Read More ... »

মৃত্যুর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়! শিবচরে পরিত্যাক্ত ৫ ভবনে ঝুকি নিয়ে বাস করছে ৪৩ পরিবার



(০৫ জুন ২০১০) ১২ বছর পুর্বে পরিত্যাক্ত ঘোষিত শিবচর পৌরসভার বাবুবাড়ি খ্যাত পরিত্যাক্ত ৫টি ভবনে মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে বাস করছে ৪৩ পরিবার। যে কোন সময় বড় ধরনের প্রাণহানীর আশঙ্কা করা হলেও প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। 

জানা যায়, বাবুবাড়ি খ্যাত ৩টি ভবন ও রিজিয়া বেগম মহিলা কলেজ শিক্ষকদের আবাসিক ভবন ২টি ১২ বছর পূর্বে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয় । বাবুবাড়ির ৩ টি ভবনে ৩৫ এবং কলেজ ভবনে ৮জন শিক্ষক পরিবারের বসবাস । জরাজীর্ণ ভবনগুলোর একাধিক স্থানে ফাটল ধরেছে, খসে গেছে দেয়ালের প্লাস্টার। প্রায় ১২ বছর আগে ভবন পাঁচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করার পর ২০০৩ সালে কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর জন্য দায়ী নয় সংক্রান্ত মুচলেকা নিয়েই দায় সেরেছে। 
ওই ভবনের বাসিন্দা সন্ধ্যা রানী সাহা জানান, "মুক্তিযুদ্ধের পরে আমাগো বাড়ির জায়গা দখল হওয়ায় এই পুরনো ভবনে উঠেছিলাম । এটি ভেঙ্গে দিলে আমরা আর ফেরত পাবনা । সাত বছর আগে সরকারি লোক আইসা আমাগো কাছ থিকা লিখিত নিয়া গেছে। এই বিল্ডিং ভাইঙা পইড়া মানুষ মারা গেলে সরকার দায়ী নয়, শর্তেই সরকার আমাগো থাকত দেয়"। 
ব্যবসায়ী সুধীর সাহা বলেন, "৮২ সালে সরকার আমাগো কাছ থিকা ডিসিআরে (খাজনা) টাকা ও তারপর আরো ছয় বছর খাজনার টাকা নিছিলো। এরপর আর আসে নাই। তবে এই জমি গুলো আমাগো নামেই নথিভুক্ত করেছে। ভাংগাচুরা ভবনে থাকতে ভয় লাগে কিন্তু যামু কই? এই জায়গা একবার ছাড়লে আর উঠতে পারমু না। তাই মৃত্যুর ঝুকি নিয়েই থাকি"। 
রিজিয়া বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজুল্লাহ মিয়া বলেন, ওই ভবনগুলোতে বসবাস করা মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ। কলেজ পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কলেজের ২টি আবাসিক ভবন অপসারণের জন্য আবেদন পাঠানো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অধ্যক্ষ স্বীকার করেন, ভবনগুলো ভেঙ্গে যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের প্রাণহানীর আশংকা করা হচ্ছে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র বিশ্বাশ জানান, ভবনগুলোর ব্যাপারে প্রকৌশলীর মাধ্যমে আবারও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবনগুলো অপসারণ করলে ওই জায়গায় বর্তমান বসবাসকারীদের টিনসেড ঘর নির্মাণ করে বসবাসের সুযোগ দেয়া হবে। অন্য কেউ এখানে থাকার সুযোগ পাবেনা। 
Read More ... »

কালবৈশাখী ঝড় : নিহত-১, আহত ১০, দেড় শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত


(৩ জুন ২০১০) আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ৪ টায় হঠাৎ কালবৈশাখি ঝড়ে শিবচর উপজেলার পদ্মা বেষ্টিত জনবিচ্ছিন্ন চরজানাজাত ইউনিয়নে ১ জন নিহত, ১০ জন আহত ও ৫টি গ্রামের দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও ঝড়ে গাছপালা ও গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
চরজানাজাত ইউপি চেয়ারম্যান বজলু সরকার জানান, বৃহস্পতিবার দুপৃরের পর থেকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হয় প্রচণ্ড কালবৈশাখী। মাত্র ১৫-২০ মিনিটের প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসে পদ্মা নদীতে ট্রলার ডুবিতে শাকিল মিনা (৯) নামের এক শিশু মারা যায়। এছাড়াও চরজানাজাতের রশীদ মোল্লাকান্দি, মোজাফফর মোল্লার কান্দি, আদেল মোল্লার কান্দি, চানু বেপারির কান্দি, রহমান হাওলাদার কান্দি গ্রামের দেড় শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ে গাছ উপড়ে ও ঘর বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ছামাদ আকন (৫৫), হাসমত হাওলাদার (২৬) ও ইদ্রিস হাওলাদারকে (২০) গুরুতর আহতাবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নিহত শাকিল চরজানাজাতের রশিদ মোল্লাকান্দির ছালাম মিনার ছেলে।
Read More ... »

কালবৈশাখী ঝড়ে ৩টি গ্রামের ৭০টি ঘর-বাড়ি ও ১টি স্কুল বিধ্বস্ত : আহত ৪

(২৬ মে ২০১০) কালবৈশাখী ঝড়ে শিবচরের নিলখী ইউনিয়নের ৩টি গ্রামের অন্তত ৭০টি ঘর-বাড়ি ও ১টি প্রাথমিক স্কুল বিধস্ত ও অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। এসময় ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে।
এলাকাবাসি জানায়, আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হয় প্রচণ্ড কালবৈশাখী। ঝড়ো বাতাসে বিধ্বস্ত হয় নিলখী গোলাম জাহাঙ্গীর কবির প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কলাতলা চরকামারকান্দি, দক্ষিণ চরকামারকান্দি, সোনামিয়া মুন্সীকান্দি গ্রামের অন্তত ৭০টি টিনশেডের ও কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ে ঘরের উপড়ে গাছ পড়ে একই পরিবারের মন্না খাঁ (৪৮), স্ত্রী রঙ্গমালা বিবি (৪২), ছেলে রোকন খাঁ (২৬) ও একই গ্রামের মোতালেব দরানি (৩০) গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের শিরুয়াইল উপ-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
Read More ... »

লায়লার প্রভাবে শিবচরের চরাঞ্চলে আবারো ডুবে গেছে বাদাম, পাকা ধান ও পাট

23 May 2010 :: 10:12 am
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় লায়লার প্রভাবে গত তিনদিনে শিবচরের পদ্মা তীরবর্তী চরাঞ্চলের ৪টি ইউনিয়নসহ সারা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের কয়েক শবিঘার পাকা বাদাম, পাকা ধান ও পাট আবারো প্লাবিত হয়েছে। পাকা ফসল হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কিষাণ-কিষাণীদের দিনরাত ধরে ডুবিয়ে ডুবিয়ে বাদাম তুলতে ও ধান কাটতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে পদ্মানদী বেষ্টিত চরজানাজাত, কাঁঠালবাড়ি, মাদবরচর গিয়ে দেখা যায়, লায়লার প্রভাবে গত ৭২ ঘণ্টায় পদ্মা ফুসে উঠে ৪/৫ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়ে  পদ্মা ও  সংযুক্ত নদী-নালার তীরবর্তী ফসলের ক্ষেত প্লাবিত হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৫শবিঘার বাদামের ক্ষেত, আড়াই শবিঘার ধান, ৪শবিঘার পাট তলিয়ে গেছে।
চরজানাজাত ইউপি চেয়ারম্যান বজলু সরকার বলেন, প্রায় ২০ দিন আগের পানিতে চরের ফসলের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কৃষক সর্বশান্ত হয়েছে। আর এবার গত ৩ দিনের পানিতে বাদামের বেশি ক্ষতি হয়েছে। প্রায় পেকে যাওয়ায় কৃষকরা বাদাম, ধান ডুবিয়ে ডুবিয়ে তুলছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান বলেন, পাকা ধান ও বাদাম ডুবে গেলেও এগুলো সম্পূর্ণ নষ্ট হবে না।  পেকে যাওয়ায় ডুবে যাওয়া ফসলগুলোর ২০ ভাগ ক্ষতি হবে। আর দু-একদিন পানি থাকলে পাটগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।
Read More ... »

সন্তানের পিতৃপরিচয়সহ স্ত্রীর অধিকার পেলেন রসনা



17 May 2010 :: 10:12 am

জন্মের পর জান্নাতুলের বয়স এখন সাড়ে সাত মাস। বাবার স্নেহ জোটেনি ভাগ্যে। বরং বাবার কারণেই জন্মের পাঁচ মাস আগে থেকেই 'একঘরে' জীবনের স্বাদ পায় সে। সেই জান্নাতুল ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বাবার কোলে যাওয়ার সুযোগ পেল। এ দৃশ্য মা রসনার চোখে জল এনেছে। হাজারো বঞ্ছনার মধ্যেও এ যেন এক চরম তৃপ্তি। সন্তানের পিতৃপরিচয়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের কপালেও স্ত্রীর অধিকার জুটল শিবচরের রসনা বেগমের।
শিবচর থানা পুলিশের তৎপরতায় বিয়ের মধ্য দিয়ে রসনা স্ত্রীর অধিকার ও জান্নাতুল সন্তানের অধিকার পায়।
দত্তপাড়া ফাঁড়ির দায়িপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রশান্ত দাস বলেন,  শিবচর থানার ওসি আ. জলিলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে ৭ মে বিকেলে অভিযুক্ত আলম বাওয়ালিকে শিরুয়াইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার বিকেলে দত্তপাড়া ফাঁড়িতে কাজী ডেকে তাদের বিয়ের কাবিন করা হয়।'
প্রায় দুই বছর আগে দত্তপাড়া ইউনিয়নের জোনাব আলী মাদবরের একমাত্র মেয়ে মুড়িবিক্রেতা রসনা বেগমের সঙ্গে পাশের এসকান বাওয়ালির ছেলে আলম বাওয়ালির প্রেমের সূত্রপাত। প্রেমের সম্পর্ক গভীর হলে আলম রসনাকে দিয়ে বিভিন্ন এনজিও থেকে ৭০ হাজার টাকা উত্তোলন করে। এর প্রায় এক বছর পর (মার্চ ২০০৯) টাকা নিয়ে গড়িমসি শুরু করলে রসনা আলমকে চাপ দেয়। আলম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ততদিনে রসনা প্রায় ৬ মাসের গর্ভবতী। এ কথা জানার পর আলম গা-ঢাকা দেয়। এর পর স্থানীয় প্রভাবশালী ও দত্তপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির হস্তক্ষেপে সালিস বৈঠকে আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওইদিন বিকেলেই রসনাকে বিয়ে করার অঙ্গীকার করে ফের গা-ঢাকা দেয়। মেয়ে-সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় রসনার। সালিস বৈঠকের মাধ্যমে তাঁকে 'একঘরে' বা 'সমাজচ্যুত' না করলেও প্রতিবেশী বা আত্মীয়স্বজন সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয় তাঁর পরিবারের ওপর থেকে। অঘোষিতভাবেই সমাজচ্যুত ছিল শিশুসন্তানসহ পরিবারটি।
Read More ... »

'খাইতে পাই না, পড়মু ক্যামনে'


16 May 2010 :: 02:14 pm
বিদ্যালয়ে দেয়াল ঘেঁষে মলিন মুখে দাঁড়ানো একটি ছেলে। দেখেই মনে হলো, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। 'মন খারাপ করো না। রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তাতে কি?'_এ কথা বলতেই ছেলেটি মৃদু হেসে বলল, 'স্যার আমার নাম সুজন। জিপিএ ৫ পেয়েছি। কিন্তু ইতিমধ্যেই লেখাপড়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কম্পিউটার দোকানে কাজ শিখছি তো। তাই ভাবছি, এ রেজাল্ট ও সনদ দিয়ে কী করব?'
এভাবেই নিজের অনুভূতি জানায় শিবচরের খানকান্দি সৈয়দ আশরাফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সুজন চন্দ্র সূত্রধর। প্রাইভেট পড়িয়ে ও দর্জি পিতা সুদেব সূত্রধরকে সহযোগিতা করে খেয়ে-না খেয়েই সাফল্য পেয়েছে সুজন।
শিবচর পৌর এলাকার নলগোড়ায় সুজনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দেড় শতাংশ জমিতে পাটকাঠির বেড়ার ঘর। জরাজীর্ন ঘরে নেই কোনো পড়ার টেবিল। পরিবারের সবার পরনের পোশাক দেখে সহজেই বোঝা যায়, নুন আনতে তাদের পান্তা ফুরায়।
জানা গেল, অন্যের দোকানে দর্জির কাজ করে সুজনের বাবা সুদেব সূত্রধরের দৈনিক আয় ৭০ থেকে ১০০ টাকা। মা ইলা রানী অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। মাঝেমধ্যে কাজ করেন একটি বেসরকারি সংস্থায়। অন্যের বাড়ি কাজের বিনিময়ে পাওয়া কাপড়ই তাঁর সম্বল। ছেলের সাফল্যেও মায়ের চোখে যেন অন্যরকম এক বিষাদ। একটি মাত্র শার্ট-প্যান্ট পরেই ক্লাস করতে হতো সুজনকে। কখনো পান্তা খেয়ে আবার কখনো এক গ্লাস পানি খেয়ে যেতে হতো ক্লাসে। বেশির ভাগ বই বন্ধুদের কাছ থেকে ধার করে পড়ত। কেরোসিনের অভাবে প্রায় রাতেই পড়তে পারত না। তাই সূর্যের আলোই ছিল তার ভরসা।
সুজন বলে, 'আমি অনেক কষ্ট কইরা খাইয়া-না খাইয়া পড়ছি। আমার ডাক্তার হইতে ইচ্ছা করে। কিন্তু বাড়ির কেউ তো পেট ভইরা খাইতেই পারি না। পড়মু কেমনে? আমার স্কুল থেকে আমার কোনো বেতন নেয় নাই। স্যাররাও অনেক সহযোগিতা করছেন। বন্ধুরাও বই হাওলাদ দিছে পড়তে।'
মা ইলা রানী কাঁদতে কাঁদতে বলেন, 'আজ সকালেও আমার ছেলেডা না খাইয়া রেজাল্ট আনতে গেছে। জন্মের পর ওগো কোনোদিন পেট ভইরা মুখে কয়ডা ভাতও দিতে পারি নাই। শুধু কোনো আত্দীয়ের অনুষ্ঠানে মাংস-পোলাও চোহে দেখছে। অভাবের কারণে সুজন লেখাপড়া ছাইড়া এহন কম্পিউটারের দোকানে কাম শিখতাছে।'
বাবা সুদেব বলেন, 'ওর মা-ই মাইনষের কাছ থিকা চাইয়া চাইয়া কোনোমতে পুলাডারে পড়াইছে। এত গরিব মাইনষের পুলা কি আর পড়তে পারে? আমার পুলাডা পড়ার সুযোগ পাইলে ঠিকই ডাক্তার হইতে পারত।'
সৈয়দ আশরাফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এ কে এম নাসিরুল হক বলেন, 'সুজন সুযোগ পেলে যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারত। কিন্তু দারিদ্র্যের কষাঘাতে ওরা নিষ্পেষিত। দুই বেলা খেতেই পায় না। কারো সহযোগিতা ছাড়া তার লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।'
Read More ... »

মাতৃ-মৃত্যুর হার কমানোর প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় শিবচরের ১৮শ হতদরিদ্র মা চরম বিপাকে

15 May 2010 :: 11:14 am
মাতৃ-মৃত্যুর হার কমাতে সরকার পরিচালিত মাতৃ ভাউচার স্কীম প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ না থাকায় গত প্রায় ৫ মাস ধরে মাদারীপুরের শিবচরের প্রায় ১৮শ প্রসূতি মা চরম বেকায়দায় পড়েছেন। প্রতিদিনই এ সকল হতদরিদ্র মায়েরা নবজাতকদের কোলে করে হাসপাতালের বারান্দায় সংশ্লিষ্টদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন। বারবার ধরনা দিয়েও ৫ মাস ধরে এসকল মায়েরা শূন্য হাতে বাড়ি ফিরছেন।
সূত্র জানায়, মাতৃ-মৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যে গরীব ও দুস্থ মহিলাদের গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর সেবা দিতে ২০০৮ সালের মার্চ থেকে দেশের ৩২টি জেলার ৩৩ উপজেলায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মাতৃ ভাউচার স্কীম নামের প্রকল্প চালু করে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে একজন হতদরিদ্র মা নিবন্ধীকরণে ১০ টাকা, প্রসবপূর্ব দুইবার রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষার জন্য ১৪০ টাকা, প্রসব পূর্ব তিনটি চেকআপে ১৫০ ও প্রসবোত্তর একটি চেকআপে ৫০ টাকা, প্রতিবার যাতায়াত বাবদ ১শ টাকা, নিরাপদ (স্বাভাবিক) প্রসবে ৩০০ টাকা ও ঔষধ বাবদ ১শ টাকা অর্থাৎ মোট ৭শ ৫০ টাকা পাবে। তাছাড়া জটিল প্রসব ভ্যকুয়াম ডিএন্ডসির জন্য ১ হাজার টাকা, খিচুনীর (এক্লামসিয়া) ১ হাজার টাকা ও সিজারিয়ান সেকশন এবং ঔষধ বাবদ ৬ হাজার টাকা পেয়েছেন। সাথে প্রতি মা ও শিশুকে উপহার স্বরূপ ১টি তোয়ালে, ২টি শাড়ি, সাবান, টাকা দেয়া হয়। সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সহকারীরাও প্রতিটি সেবার জন্য বিভিন্ন হারে টাকা পেয়ে থাকেন। দেশের ৩৩টি উপজেলার মধ্যে মাদারীপুরের শিবচরে  ২০০৮ সালে প্রায় ২১শ জন হতদরিদ্র মা, ২০০৯ সালে প্রায় ৩২শ মা এই সেবা পান। কিন্তু ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি মে মাস পর্যন্ত প্রায় ১৮শ মা এ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত হলেও এদের কোন অর্থ দেয়া হচ্ছে না। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে চরাঞ্চল ও হতদরিদ্র মায়েদের প্রসূতিকালীন স্বাস্থ্যসেবা।
এরকমই এক মা সুফিয়া বেগম বলেন, আমার স্বামী ভ্যান চালাইয়া সংসার চালায়। সরকারি এই টাকাডা পাইলে একটু ভালমন্দ খাইতাম। পুলাডার ১৫ দিন বয়সে দুইবার হাসপাতালে আইলাম কিন্তু কিছু পাইলাম না। কবে দিবো তাও কিচ্ছু কয় না ?
দ্বিতীয়খন্ড ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী আফরোজা বেগম বলেন, এই প্রকল্প চালুর পর আমার এলাকায় মাতৃ-মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে। তবে গত ৪ মাসে আমার ইউনিয়নে প্রায় ১২০ জন মা প্রসূতীকালীন সেবার অন্তর্ভুক্ত হলেও আমরা কোন সহযোগিতা করতে পারছি না। গরিব মানুষগুলো বারবার ঘোরাঘুরি করছে। তাছাড়া আমরাও এই প্রকল্পে কোন অর্থ পাচ্ছি না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মতিয়ার রহমান বলেন, অর্থ বরাদ্দ না থাকায় মায়েরা বারবার আমাদের কাছে এসেও কোন অর্থ পাচ্ছে না। দ্রুত আবারও অর্থ বরাদ্দ না করলে এ উপজেলার হতদরিদ্র মা ও শিশুদের প্রসূতিকালীন স্বাস্থ্যসেবা চরম ঝুঁকিতে পড়বে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, প্রকল্পটি মা ও শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা বারবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। জরুরি ভিত্তিতে অর্থ ছাড় দেয়া উচিৎ।
এই প্রকল্পের শিবচর উপজেলা সমন্বয়কারী মো. কবির হোসেন বলেন, ২০০৮ সালের মার্চ থেকে ২০০৯ সালে পর্যন্ত এ প্রকল্পের ফলে শিবচরের প্রসূতিকালীন মাতৃ-মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যের কোঠায় এসেছে। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় চলতি বছর কোন মাকেই এ সেবাগুলো দেয়া যাচ্ছে না। 
Read More ... »

এএসআই মিজান ও এটিএন বাংলার ক্যামেরাম্যান মিঠুর হত্যার প্রধান আসামি রাহাতকে রাতের অন্ধকারে শিবচরে কবর দেয়া হলো

15 May 2010 :: 09:45am
রমনা থানার এএসআই মিজান ও এটিএন বাংলার ক্যামেরাম্যান মিঠুর হত্যার প্রধান হোতা ডিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে  নিহত রাহাদুল ইসলাম (রাহাতকে) শুক্রবার রাতের আঁধারে নিজ বাড়ি শিবচরের যাদুয়ারচরে কবর দেয়া হয়েছে। নিহতের অভিভাবকরা রাহাত দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছে বলে এলাকায় জানালেও এলাকাবাসী সকলেই রাহাতের অপরাধের কথা আগে থেকেই অবগত ছিল। জানাজায় মাত্র ৭/৮ জন মানুষ অংশ নেয়। রাত আনুমানিক ৯টায় একটি পিকআপে (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৪-০৬৯৩) করে রাহাতের লাশ কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে নিজ বাড়িতে আনা হয়।
রাহাতের পিতা লালমিয়া শরীফ বলেন, ৩ বোনের ১ ভাই রাহাতের বিভিন্ন কৃতকার্যের জন্য তাকে অনেক আগেই ত্যাজ্য করি। প্রায় ১৫ মাস জেল খাটার পর গত ৩ মাস পূর্বে বের হয়ে একটি প্রাইভেটকার কিনেছিল। গত বৃহস্পতিবার সড়ক দুর্ঘটনায় রাহাত নিহত হয়।
রাহাতের দুলাভাই আনোয়ার মিয়া ক্ষোভের সাথে বলেন, উগ্র চলাফেরার কারণে রাহাতকে শুধু ত্যাজ্য নয় ওর সাথে কোন আত্মীয় স্বজনেরও যোগাযোগ ছিল না। আজকের এই পরিণতির জন্য ও নিজেই দায়ী।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার পল্লবীর ইষ্টার্ন হাউজিং এলাকায় ডিবি পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে পরিবহন ছিনতাই চক্রের নেতা রাহাত নিহত হয়।
Read More ... »
Widget By Devils Workshop
 

আজকের চাঁদ

CURRENT MOON

© 2009-2010 shibcharsangbad | Design by: Md. Abul Hossain Miah

^ উপরে আসুন